স্টাফ রিপোর্টার,মালদহ: চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে মারা গেলেন এক যুবতী। সোমবার গভীর রাতে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের সামসী ও শ্রীপুর রেল স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকার মাঝে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

মৃত যুবতীর নাম ভানলাল মানঘাই জুয়ালি (২৬)। ওই যুবতীর বাড়ি মিজোরামে। রেল পুলিশ রাতেই যুবতীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এদিকে এই দুর্ঘটনার জেরে প্রায় দেড় ঘন্টা ট্রেনটি ঘটনাস্থলে আটকে ছিল।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনটি মুম্বই থেকে আসছিল। ট্রেনটি নাগাল্যান্ড পর্যন্ত যাবে। সোমবার রাতে মালদহ স্টেশন ছেড়ে সামসী স্টেশন ঢোকার আগেই ভগবানপুর রেলগেট ও শ্রীপুর রেল স্টেশনের মাঝামাঝি জায়গায় চলন্ত ট্রেন থেকে মিজোরামের যুবতী চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যান। তিনি ট্রেনের গেটের মুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঘুমের ঘোরে থাকায় ওই যুবতী নিজেকে সামলাতে পারেনি বলে মনে করা হচ্ছে। ওই যুবতীর কামরায় থাকা বাকি যাত্রীরা বিষয়টি জানতে পেরে মুহূর্তের মধ্যে চেন টেনে ট্রেন থামিয়ে দেন। ট্রেনে থাকা রেল পুলিশও বিষয়টি জানতে পারেন।

রেল পুলিশ ক্ষত-বিক্ষত অবস্থায় ওই যুবতীকে উদ্ধার করে সামসী রেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই যুবতীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর মালদহ থেকে জিআরপি এসে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.