কলকাতা: বাংলায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায়, রাজ্যের কিছু এলাকায় ফের লকডাউন শুরু হয়েছে৷ শুধু কলকাতায় ২৫ টি কন্টেনমেন্ট জোন রয়েছে৷ সেখানে যাতে জরুরি পরিষেবা চালু থাকে,এমনই নির্দেশ দিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা৷

কন্টেনমেন্ট জোনে লকডাউন থাকাকালীন যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পেতে সেখানকার বাসিন্দাদের কোনও অসুবিধা না-হয়, তা নিশ্চিত করতে বুধবার শহরের সবক’টি ডিভিশনের ডিসি এবং সিনিয়র অফিসারদের নির্দেশ দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার।

পাশাপাশি এই কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে যে প্রবীণ নাগরিকরা রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেও স্থানীয় থানা এবং ‘প্রণাম’-এর পুলিশকর্মীরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন, তাও দেখতে বলেছেন তিনি।

যে ২৫ টি কন্টেনমেন্ট জোনের তালিকায় প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলিকে বস্তি এলাকা, মিশ্র বসতি, আবাসন এবং হাউজিং কমপ্লেক্স এলাকায় ভাগ করা হয়। তাতে কাঁকুরগাছি, উল্টোডাঙা, দত্তবাগান, করবাগানের মতো এলাকা যেমন উঠে এসেছে, তেমনই নিউ আলিপুর, বেলভেডরে রোড, জাজেস কোর্টের মতো উচ্চবিত্ত এলাকা রয়েছে।

এছাড়া ভবানীপুর, অজয়নগর, ফুলবাগান, সখের বাজারের কিছু হাউজিং কমপ্লেক্সও। এ ছাড়াও বিজয়গড়, কসবা, আমহার্স্ট স্ট্রিট, মুকুন্দপুর, বেনিয়াপুকুর এলাকার মিশ্রবসতি অঞ্চলগুলিও ওই তালিকায় রয়েছে। তালিকায় আরও কিছু নাম রয়েছে৷

করোনায় লাগাম পরাতে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই রাজ্যের কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে শুরু হয়ে গেল লকডাউন। এই পর্বের লকডাউনে আরও কড়াকড়ি বাড়াচ্ছে প্রশাসন। শহর কলকাতার ২৫টি এলাকায় লকডাউন শুরু হয়েছে।

একইভাবে উত্তর ২৪ পরগনার ৯৫টি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭৩টি এলাকায় এদিন বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। এরই পাশাপাশি হাওড়ার ১৪৬টি, মালদহের ৭১টি, শিলিগুড়ির ৫১টি এলাকায় লকডাউন শুরু হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ