হংকং : দূষণে জেরবার গোটা বিশ্ব। প্রতিনিয়ত মানুষের অনৈতিক কার্যকলাপে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রকৃতি। তবে এই দূষণ যে শুধুমাত্র প্রকৃতির ক্ষতি করছে, তা কিন্তু নয়। আমাদের অনৈতিক কাজকর্মই আমাদের জীবনে ডেকে আনছে বড় বিপদ।

ঠিক যেমন, অনবরত জল দূষণ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে মানব দেহের ডিএনএ-তে। আর যারফলে প্রতিনিয়ত নানা রকম শারীরিক ও মানসিক সমস্যার শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। আর এই জল দূষণ নিয়েই এবার নয়া আশঙ্কার কথা শোনালেন জাপানের পরিবেশ বিজ্ঞানীরা।

জাপানের গ্রিনপিসের পক্ষ থেকে দাবি করে বলা হয়েছে অনবরত দূষিত জলের ব্যবহার এবং তা পান মানব দেহের ডিএনএ-র উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আর জাপান যেহেতু ভূমিকম্পের দেশ ফলে সেখানে প্রায়শই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। যারফলে সেদেশে জল দূষণের পরিমাণও বেশি। আর এই জলদূষণই এখন মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে জাপানীদের কাছে।

জানা গিয়েছে, সুনামী বিধ্বস্ত জাপানের ফুকুশিমা শহরের ইউটিলিটির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঞ্চিত জল সুনামীর ফলে দূষিত হয়ে পড়েছে। এমনকি কঠিন রাসায়নিক মেশানো এই জল ভূগর্ভস্থ জলের সঙ্গে মিশে গিয়ে সারা জাপান জুড়ে জল দূষণের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়িয়ে তুলেছে। শুধু তাই নয়, ক্ষতিকর এই জল প্রশান্ত মহাসাগরে ছেঁড়ে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি জাপান সরকার।

আরও জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের ভয়াবহ সুনামি বিধ্বস্ত করে দিয়েছিল জাপানের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত ফুকুশিমা ডাই-ইচি প্ল্যান্টের তিনটি পারমাণবিক চুল্লিকে।

সেই সময় ওই পারমাণবিক ক্ষেত্রের চুল্লি থেকে নির্গত ক্ষতিকর তেজস্ক্রিয় পদার্থ মিশ্রিত জল ভূগর্ভস্থ জল এবং বৃষ্টির জলের সঙ্গে মিশে গিয়ে জল দূষণের মাএা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এরপর ওই তেজস্ক্রিয় মিশ্রিত জল রাখা হয় ফুকুশিমার বড় বড় ট্যাঙ্কে। ১০,০০০হাজারেও বেশি এই প্লান্টটিতে ১ মিলিয়ন টনেরও বেশি জল জমেছে। টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কো (টিপপো) এর অপারেটরের তরফে বলা হয়েছে যে, তাঁরা আরও বেশি ট্যাঙ্ক তৈরির পরিকল্পনা করেছে। তবে এটি কেবলমাত্র ১.৩৭ মিলিয়ন টন জল ধরে রাখতে পারে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।