কলকাতা: অক্টোবরে শহরে মাত্র একটি কন্টেইনমেন্ট জোন ছিল৷ কিন্তু সেই সংখ্যাটা বেড়ে ফের তিন হয়ে গিয়েছে৷ ফলে শহরে ফের বাড়ছে উদ্বেগ৷ তবে এখনও করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুতে কলকাতা রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে৷

কলকাতা পুরসভা সুত্রে জানা গিয়েছে, নতুন কন্টেইনমেন্ট জোনের তালিকায় রয়েছে বালিগঞ্জ,টালিগঞ্জ ও ভ্যালি পার্কের একটি করে এলাকা৷ এর মধ্যে দুটি কমপ্লেক্স এলাকা ও একটি মাল্টিপ্লে ফ্লাট এলাকা৷

নতুন তালিকায় রয়েছে কলকাতা পুরসভার ৮ নম্বর বোরোর ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডের ২০,বালিগঞ্জ সার্কুলার রোড এলাকার একটা অংশ৷ এখানকার একটি কমপ্লেক্স এলাকায় সংক্রমণ রয়েছে৷

এছাড়া টালিগঞ্জ এলাকার ১৮,রাজা বসন্ত রায় রোডের একটা অংশ৷ এটি কলকাতা পুরসভার ৮ নম্বর বোরোর ৮৭ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত৷ এবং ১১ নম্বর বোরোর ১১০ নম্বর ওয়ার্ডের ৯, ভ্যালি পার্কের একটি কমপ্লেক্স এলাকায় সংক্রমণ দেখা দিয়েছে৷

গত ৬ অক্টোবর পুরসভা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল,কলকাতার শুধু বালিগঞ্জের একটি এলাকা কন্টেইনমেন্ট জোন রয়েছে৷ যা কলকাতা পুরসভার ৮ নম্বর বোরোর ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডের ২২/১ বালিগঞ্জ সার্কুলার রোড (only 1st Floor)৷ সেখানকার একটি ফ্লাট কমপ্লেক্স এলাকায় সংক্রমণ ছিল৷

এর আগে শহরে কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা তিন থেকে বেড়ে চার হয়েছিল৷ তার আগে এক থেকে বেড়ে তিন হয়েছিল৷ কন্টেইনমেন্ট জোন ফের বাড়তে থাকায় উদ্বেগ বাড়ছিল শহরবাসীর৷ সেখান থেকে ফের কমায় কিছুটা স্বস্তি ছিল শহরবাসীর৷ কিন্তু আবার কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়ায় বাড়ছে উদ্বেগ৷

এক সময় কলকাতা পুর এলাকায় কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে ৩৯ এ পৌঁছে গিয়েছিল৷ অনেক এলাকায় কার্যত ঘরবন্দি ছিলেন শহরবাসী৷ সেখান থেকে ধীরে ধীরে তারা মুক্ত হন৷ কারণ কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা কমতে কমতে মাত্র একটিতে এসেছিল৷ ফের সেই সংখ্যাটা বাড়তে শুরু করেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।