নয়াদিল্লি:  দেশের মাটিতেই তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সবথেকে বড় নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট। গত বছরই সেই কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জয়িতাপুর নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টের কাজ৷ মহারাষ্ট্রের কাছাকাছি এই জায়গাটি অবস্থিত৷ জয়িতাপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে ১০ মার্চ ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়৷ সেখানেই স্থির হয় কাজ দ্রুত শুরু করতে হবে৷

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাকরন যখন ভারতে এসেছিলেন তখনই এই সিদ্ধান্ত হয়৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ম্যাকরন এই প্রজেক্ট নিয়ে চিন্তাভাবনার জন্য নিউক্লিয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (NPCIL) ও EDF ফ্রান্সকে উৎসাহ দেয়৷ একবার তৈরি হয়ে গেলে জয়িতাপুর প্রজেক্ট পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম বড় নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে পরিণত হবে৷ ৯ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন হবে এই পাওয়ার প্ল্যান্টটি৷ জিগলার বলেন, গত সপ্তাহে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট যখন ভারতে এসেছিলেন তখনই এবিষয়ে সমস্ত কথাবার্তা ফাইনাল হয়৷

NPCIL ও EDF ফ্রান্স শিল্পক্ষেত্রে চুক্তি সই করে৷ গোয়ায় ভারত ও ফ্রান্স নেভির যৌথ মহড়া পরিদর্শনে গিয়ে একথা বলেন তিনি৷ ২০০৮ সালেই ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে জয়িতাপুর পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল৷ মুম্বই থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জায়গাটি৷ ভারত-ফ্রান্স পার্টনারশিপে এতদিন প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ ছিল মূল উপপাদ্য৷ এবার তার সঙ্গে যোগ হল পারমাণবিক শক্তিও৷

এই পারমাণবিক প্ল্যান্টে ৬টি রিঅ্যাক্টর রয়েছে৷ প্রতিটির ক্ষমতা ১ হাজার ৬৫০ মেগাওয়াট৷ তবে জয়িতাপুরের স্থানীয়রা এই প্ল্যান্টের বিরোধিতা করছে৷ পরিবেশ ও শহর পরিষ্কারের কথা উঠছে৷ কিন্তু জিগলার বলছেন এই প্ল্যান্টের ফলে পরিবেশের কোনও ক্ষতি হবে না৷ তিনি বলেন, শিল্প এলাকায় নিরাপত্তা অন্যতম বড় ইস্যু৷ বিশেষত নিউক্লিয় পাওয়ার প্ল্যান্টের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বেশি৷ কিন্তু তাঁদের কাছে সাম্প্রতিকতম রিঅ্যাক্টর রয়েছে৷ বিশ্বের জন্য এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ৷

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব