স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: খুনের ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার সিপিএমের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য তথা প্রাক্তন বিধায়ক মনোরঞ্জন পাত্র৷ সূত্রের খবর, শুক্রবার সন্ধ্যায় সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়কের তালডাংরার আমডাংরার বাড়ি থেকে থানায় ডেকে পাঠায় পুলিশ৷ পরে তিনি তালডাংরা থানায় হাজিরা দেওয়ার পর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷

গত ১৩ সেপ্টেম্বর তালডাংরা থানা এলাকার ঢেমনামারা গ্রামে দুষ্কৃতীদের আক্রমণে জান মহম্মদ মল্লিক নামে এক তৃণমূল কর্মী খুন হন৷ সেই সময় বিভিন্ন মহলে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে এই খুনের ঘটনা বলে অভিযোগ ওঠে৷ যদিও তৃণমূল জেলা নেতৃত্ব সেই সময় এটিকে ‘দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে’ খুন বলে অস্বীকার করেন৷ তাঁদের পক্ষ থেকে ‘পারিবারিক বিবাদে’ খুন বলে দাবি করা হয়৷ তারপর থেকেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছিল৷ পুলিশ তদন্ত শুরু করেছিল৷ তারপর শুক্রবার রাতে এই ঘটনায় সিপিএম নেতাকে গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷ যেখানে তৃণমূলের জেলা নেতারা পারিবারিক কারণে ওই খুন বলে দাবি করেছিলেন, সেখানে এই ঘটনায় সিপিএম নেতাকে গ্রেফতার কেন? প্রশ্ন তুলছেন তালডাংরার দলীয় নেতা-কর্মীরা৷

সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য অমিয় পাত্র বলেন, মনোরঞ্জন পাত্রকে এই গ্রেফতারের ঘটনা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যেখানে ঐ খুনের ঘটনার পর তৃণমূলের জেলা নেতারা পারিবারিক কারণে খুন বলে দাবি করছিলেন সেখানে বেছে বেছে সিপিএম নেতাকে গ্রেফতার কেন? তৃণমূলের উঁচুতলার নেতাদের নির্দেশে এই গ্রেফতার বলে তিনি দাবি করেন৷ তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় আরও একবার রাজ্যের মানুষের কাছে প্রমাণ হয়ে গেল, এখন পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়েছে৷ আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি মনোরঞ্জন পাত্রের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বাঁকুড়া জেলা জুড়ে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও তিনি জানান৷ অন্যদিকে, বাঁকুড়া জেলা পুলিশ সাংবাদিকদের জানিয়েছে, ওই খুনের ঘটনার আগে ও পরে মনোরঞ্জন পাত্রের সঙ্গে অভিযুক্ত খুনির ফোনালাপের রেকর্ড রয়েছে৷ শনিবার ধৃত সিপিএম নেতাকে পুলিশের পক্ষ থেকে খাতড়া মহকুমা আদালতে তোলা বলে বিচারক দশ দিনের জেল হেফাজত দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।