লখনউঃ পদ্মাবতীর স্ক্রিনিং হলে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হতে পারে৷ এই মর্মে রাজ্যে ছবিটির স্ক্রিনিং-এর বিরোধিতা করল উত্তরপ্রদেশ৷ কেন্দ্রকে দেওয়া চিঠিতে এমনটাই জানিয়েছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার।

পয়লা ডিসেম্বর গোটা দেশে মুক্তি পাচ্ছে পদ্মাবতী। তবে তার আগেই ছবিটি ঘিরে রীতিমতো বিতর্ক তৈরি হয়েছে৷ সেই বিতর্ককে উস্কে দিয়ে যোগী সরকারের বক্তব্য রাজ্যে ছবিটি মুক্তি পেলে সমস্যা তৈরি হতে পারে৷ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকে এই বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রধান সচিব অরবিন্দ কুমার৷ তাঁর বক্তব্য, মানুষের ভাবাবেগে আঘাত দিতে পারে ছবিটি৷ ছবির সেই স্পর্শকাতর অংশগুলি বাদ দেওয়া উচিৎ সেন্সর বোর্ডের৷ বিষয়টি নিয়ে সেন্সর বোর্ডের অবগত হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করা হয়েছে চিঠিতে৷

এছাড়াও, ছবি মুক্তির ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে উত্তরপ্রদেশের পুর নির্বাচনের দিনক্ষণ৷ ২২, ২৬ ও ২৯ নভেম্বর রাজ্যে পুর নির্বাচন৷ গণনা ১ ডিসেম্বর৷ তারওপর, ২রা ডিসেম্বর মুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান রয়েছে৷ তাই এই সময়ে পদ্মাবতীর মুক্তি ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করলে, তা রাজ্যের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক বলে জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, ছবির প্রযোজক সেন্সর বোর্ডে ছবিটিকে পাঠিয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ৯ অক্টোবর ছবির ট্রেলর মুক্তির পর বিভিন্ন সংগঠন ছবিটির চিত্রনাট্য নিয়ে বিরোধিতায় সরব হয়৷

উত্তরপ্রদেশের ডিজিপি সঞ্জয় লীলা বনশালির পদ্মাবতী ছবির মুক্তি নিয়ে আগে থেকেই বাড়তি নজরদারির কথা জানিয়েছিলেন। রাজ্যের সবকটি মল এবং সিনেমা হলে পুলিশি নজরদারি কথা জানিয়েছিলেন তিনি। দরকার পড়লে বাড়তি পুলিশ মোতায়েনের কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, পদ্মাবতীর মুক্তি নিয়ে বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, গুজরাট, হরিয়ানা সহ বিভিন্ন রাজ্যে৷ বিক্ষোভকারীদের দাবি, দিল্লির শাসক আলাউদ্দিন খিলজির আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে রানি পদ্মিনী ১৬ হাজার নারীকে নিয়ে চিতায় ঝাঁপ দিয়েছিলেন। কিন্তু পদ্মাবতী সিনেমায় তার সেই মর্যাদা ও আত্মত্যাগকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া হয়নি৷ খিলজির সঙ্গে পদ্মিনীর মুখোমুখি কখনো দেখা না হলেও ছবিতে তাদের মধ্যে একটি স্বপ্নদৃশ্য রাখা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I