নয়াদিল্লি: লোকসভায় বিপুল পরিমাণ আসন সংখ্যা বাড়তে চলেছে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের। সেই তুলনায় অল্প হলেও আসন কমছে ভারতীয় জনতা পার্টির। এমনই তথ্য উঠে এসেছে সি ভোটারের জনমত সমীক্ষায়।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়েছে সি ভোটারের জনমত সমীক্ষার রিপোর্ট। যেখানে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে লোকসভা নির্বাচন হলে কেমন ফল হতে পারে তা জানানো হয়েছে। যদিও লোকসভা নির্বাচন হতে এখনও মাস ছয়েক দেরী আছে।

জনমত সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, কংগ্রেস লোকসভা নির্বাচনে ১১২টি আসন পেতে পারে। যা গতবারের তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা নেমে গিয়েছিল ৪৪টিতে। যা এখনও পর্যন্ত রেকর্ড। বিরোধী দলের মর্যাদা পাওয়ার ক্ষেত্রেও কম পরে গিয়েছিল দেশের সর্বাধিক প্রাচীন রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের।

সেই তুলনায় ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই জনমত সমীক্ষা মিলে গেলে কংগ্রেস এবং সভাপতি রাহুল গান্ধী অনেকটাই স্বস্তি পাবে। কিন্তু ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাচ্ছে শতাব্দী প্রাচীন রাজনৈতিক দলের।

সি ভোটারের সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে যে বিজেপি পরিচালিত এনডিএ জোট লোকসভা নির্বাচনে ২৭৬টি আসন পেতে পারে। ৫৪৩ আসনের লোকসভার ক্ষমতা দখল করতে দরকার ২৭২টি আসন। সেই অর্থে ফের দিল্লির গদিতে মোদীই থাকছেন। তবে আগের থেকে কমছে আসন সংখ্যা। ২০১৪ সালে ২৮২ টি আসন পেয়েছিল এনডিএ।

এই ধরনের সমীক্ষার ফল সবসময় মেলে না। সম্পূর্ণ মিলে যাওয়ার নজিরও অবশ্য আছে। তবে জনমত সমীক্ষায় নির্বাচনের ফলের একটা আভাস পাওয়া যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।