স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্রিগেডে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে কংগ্রেস হাই কম্যান্ড৷ তাদের এই সিদ্ধান্তে নৈতিক সংঘাত হতে পারে সিপিএমের সঙ্গে৷ কিন্তু পুরোনো ‘জোটবন্ধু’কে এখনই হতাশ করতে চাইছে না প্রদেশ কংগ্রেস৷ ৩ ফেব্রুয়ারি বামফ্রন্টের ব্রিগেডেও কংগ্রেসের প্রথম সারির কোনও প্রতিনিধি থাকতে পারে৷

প্রদেশ সভাপতি হিসেবে অধীর চৌধুরীই হোক কিংবা সোমেন মিত্র, দুজনেই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের তীব্র বিরোধীতা করেছেন৷ জোটের ভাগ্য এখনও চূড়ান্ত না হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্রিগেডে সোনিয়া গান্ধী-রাহুল গান্ধীর দূত হয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের আসার খবর প্রদেশ কংগ্রেসের অস্বস্তি বাড়িয়েছে৷

পড়ুন: মোদীর ব্যর্থতার প্রচারে লালচকে জাতীয় পতাকা তুলবে কংগ্রেস

তবে বিধানভবন সূত্রে খবর, এআইসিসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সীতারাম ইয়েচুরি, সূর্যকান্ত মিশ্ররা যদি তাদের ডাকেন তাহলে খাড়গের মতোই দলের প্রথম সারির কাউকে পাঠাবে দিল্লি৷ এককথায়, তৃণমূল এবং সিপিএমের সঙ্গে সম-সখ্যতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে কংগ্রেস৷

কিছুদিন আগে কলকাতায় এসে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি জানান, তাঁদের ব্রিগেডে কংগ্রেসকে আমন্ত্রণ জানানো হবে৷বৃহস্পতিবার কলকাতা 24×7-কে প্রদেশ কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা তথা সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, এখনও পর্যন্ত ওদের তরফ থেকে প্রদেশের কাছে কিংবা দিল্লির কাছে কোনও আমন্ত্রণ এসেছে বলে আমার জানা নেই৷ যদি ওরা আমাদের ডাকে তাহলে নিশ্চয়ই যাব৷

প্রদেশ কংগ্রেসের এক নেতা বলেন, আমন্ত্রণ রক্ষা করতে বিজেপি বিরোধী সমমনোভাবাপন্ন যে কোনও দলের মঞ্চেই কংগ্রেস প্রতিনিধি পাঠাতে পারে৷ কিন্তু তার মানে এই নয়, তাদের সঙ্গেই জোট হচ্ছে৷ উত্তরপ্রদেশে মায়াবতী-অখিলেশের জোটকে রাহল গান্ধী স্বাগত জানিয়েও ৮০টি কেন্দ্রে একক লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ এরাজ্যেও যে এমনটা হবে না তা কে বলতে পারে?