নয়াদিল্লি: এবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে রাজ্যসভায় পাঠানোর দাবিতে সরব কংগ্রেসের একাংশ। আগামী এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৬৮ আসন ফাঁকা হবে রাজ্যসভায়। রাজ্যসভায় শক্তি ধরে রাখতে মরিয়া কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। তবে এবার গেরুয়া শিবিরও রাজ্যসভায় সাংসদের সংখ্যা বাড়াতে চেষ্টার কোনও কসুর করবে না বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

এবার সনিয়া-কন্যাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর দাবি উঠল কংগ্রেসের অন্দরেই। সব কিছু ঠিকঠাক চললে চলতি বছরেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে দেখা যেতে পারে। এমনই সম্ভাবনা জোরদার হয়েছে। দেশজুড়ে গেরুয়া শিবিরের একটু-একটু করে শক্তি-ক্ষয়ের নিদর্শন মিললেও জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির এই অস্বস্তিকর সময়েও তেমনভাবে দাগ কাটতে ব্যর্থ কংগ্রেস।

খোদ রাজধানীর ভোটেই ভরাডুবি হয়েছএ হাত-শিবিরের। সদ্য সমাপ্ত দিল্লি বিধানসভা ভোটে একটি আসনেও জয়ের মুখ দেখতে পায়নি কংগ্রেস। এমনকী ৬৩টি আসনে জামানত জব্দ হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থীদের।

আগামী এপ্রিল থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত মোট ৬৮ আসন ফাঁকা হবে রাজ্যসভায়। এবার তাই রাজ্যসভাতে শক্তি ধরে রাখতে মরিয়া হাত-শিবির। বিজেপি বরাবরই সংখ্যার বিচারে কংগ্রেসের চেয়ে রাজ্যসভায় পিছিয়ে থেকেছে। কিন্তু একসঙ্গে এবার ৬৮টি রাজ্যসভার আসন ফাঁকা হতে চলায় চূড়ান্ত তৎপরতা গেরুয়া শিবিরে। রাজ্যসভায় যতটা সম্ভব বেশি সদস্য পাঠাতে চেষ্টার কসুর করবে না বিজেপি।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই নাকি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে রাজ্যসভার সাংসদ করতে কংগ্রেস হাইকম্যান্ডকে সুপারিশ করেছেন বেশ কয়েকজন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রিয়াঙ্কা সংসদের উচ্চকক্ষে গেলে তা কংগ্রেসকে বাড়তি সুবিধা দেবে বলেই মত কংগ্রেস নেতাদের একাংশের।

একাধিক ইস্যুতে রাজ্যসভায় বিজেপিকে প্যাঁচে ফেলতে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কংগ্রেসকে বাড়তি অক্সিজেন দিতে পারেন বলে মনে করছেন কংগ্রেস নেতৃত্বের একটি বড় অংশ। আর তাই সব কিছু ঠিকঠাক চললে চলতি বছরেই হয়তো সংসদে দেখা যেতে পারে রাজীব-কন্যাকে।