স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লোকসভা নির্বাচনে জোট হতে হতেও হয়নি৷ তবে বহরমপুর কেন্দ্রে অধীর চৌধুরীকে পরোক্ষে সমর্থন করেছিল সিপিএম৷ এবার এই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত নওদা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন৷ সেই উপনির্বাচনে সিপিএমকে পাশে চায় কংগ্রেস৷

আরও পড়ুন: প্রথম তিনবার খড়্গহস্ত হয়েও চতুর্থবারে মমতায় নরম রাহুল

মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসের গড় হিসেবেই পরিচিত৷ এই জেলার অন্তর্গত নওদা বিধানসভা কেন্দ্রটিও তারা নিজেদের দখলে রেখেছিল৷কিন্তু ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসের টিকিটে জেতা আবু তাহের খান তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন৷ এবার লোকসভা নির্বাচনে তিনি মুর্শিদাবাদ কেন্দ্র থেকে লড়াই করেছেন৷এবার এই কেন্দ্রটি জিততে মরিয়া ঘাসফুল বাহিনী।

সংখ্যালঘু প্রধান নওদা বিধানসভা কেন্দ্র ফের দখল করতে কৌশল বদল করেছে কংগ্রেস। বিগত কয়েকটি নির্বাচনে তারা সংখ্যালঘু নেতাকে প্রার্থী করে কেন্দ্রটি আয়ত্তে করেছিল। এবার দলের হিন্দু নেতা তথা ব্লক সভাপতি সুনীল মণ্ডলকে প্রার্থী করেছে৷যা নিয়ে দলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।

আরও পড়ুন: অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর মদন মিত্রের

নওদা পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি সাহাবুদ্দিন মোল্লা বলেন, “দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা না করেই উপনির্বাচনের প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। তাই এবার প্রচারে মাইক ধরব না। সভা করব না। তবে কংগ্রেস করব।”

আরও পড়ুন: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে খুনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

তবে এই উপনির্বাচন জেতার ব্যাপারে একশো শতাংশ আশাবাদী কংগ্রেস প্রার্থী সুনীল মণ্ডল৷তিনি বলেন, “সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় সাহাবুদ্দিনসাহেবের নাম ছিল। তাঁর উপস্থিতিতে দলের ব্লক কমিটিতেও এব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছিল। এরপরও তিনি কেন নিষ্ক্রিয় থাকছেন তা বলতে পারব না। তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। এর আগে অনেকে দলত্যাগ করে তৃণমূলে শামিল হয়েছেন। যদিও তাতে কংগ্রেসের কিছু ক্ষতি হয়নি। কারণ কংগ্রেসের সঙ্গে সাধারণ মানুষ আছেন। লোকসভা ভোটে সিপিএম আমাদের হয়ে ভোট চেয়েছে। তাই এবারও তাদের কাছে ভোটে নামার আবেদন করেছি।”