নয়াদিল্লি: লোকসভা নির্বাচনের বাকি আর মোটে ৯ দিন৷ সেকথা মাথায় রেখেই মঙ্গলবার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করতে চলেছে কংগ্রেস৷ ২৪ নম্বর আকবর রোডে জাতীয় কংগ্রেসের সদর দফতরে এই ইস্তেহার প্রকাশ করলেন দলীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী৷ উপস্থিত থাকবেন মনমোহন সিং ও অন্যান্য শীর্ষ নেতারা৷

ব্যক্তি নয়, মানুষ শেষ কথা৷ এই শ্লোগানকে সামনে রেখেই ইস্তেহার প্রকাশ করতে চলেছে কংগ্রেস৷ রাহুল গান্ধীর বরাবরের বক্তব্য তাঁর দল মানুষের কথা বলা, মানুষের কন্ঠস্বর হয়ে ওঠে৷ কোনও বিশেষ ব্যক্তির তাঁবেদারিতে চলে না৷ মনে করা হচ্ছে কংগ্রেসের ইস্তেহারের মূল সুর এটাই হতে চলেছে৷

আরও পড়ুন : এবারের ভোট হোক ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে, আরজি দেশজোড়া লেখকের

সংবাদসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে কংগ্রেস সভাপতি বলেছিলেন তাঁর দল বিশেষ ম্যাজিকে বিশ্বাসী নয়৷ কাজে বিশ্বাসী৷ মানুষের জন্য কাজ করেন তাঁরা৷ স্বাভাবিক ভাবেই সেই কটাক্ষ যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকেই ছিল, তা বলাই বাহুল্য৷

এবারের নির্বাচনে কংগ্রেসের হাতিয়ার কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধি৷ কৃষকদের দুরবস্থার কথাও তাঁদের ইস্তেহারে উঠে আসবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী৷ তাঁর মতে কংগ্রেসের এই ইস্তেহার দেশকে নতুন পথ দেখাবে৷ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক কল্যাণ ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবনা রয়েছে কংগ্রেসের৷ ক্ষমতায় আসলে সেসব বাস্তবায়ন করা হবে৷

আরও পড়ুন : ভোটের মুখে ফেসবুকের কড়া ব্যবস্থায় সঙ্কটে কংগ্রেস

নতুন শিল্পোদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে দেওয়া হবে সেই সংক্রান্ত কর, এমনই প্রতিশ্রুতি কংগ্রেসের৷ উদ্যোগপতিরা যাতে সহজেই ব্যাংক থেকে ঋণ পান, তারও ব্যবস্থা করার কথা বলা হবে ইস্তেহারে৷ চালু করা হবে ন্যায় প্রকল্প৷ যেখানে সর্বনিম্ন রোজগারের পরিবারগুলিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে৷ এই প্রকল্পের কথা আগেই সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছিলেন রাহুল৷

কংগ্রেস ক্ষমতায় ফিরলে শক্তিশালী দেশ গঠনে সাহায্য করবে বলে আশ্বাস দিয়ে রাহুলের দাবি এই ইস্তেহার পরিপূর্ণ একটি রাজনৈতিক দলিল হিসেবে উঠে আসবে৷ উল্লেখ্য, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে গঠন করা একটি কমিটি এই নির্বাচনী ইস্তেহার তৈরি করেছে৷ এই কমিটির প্রধান ছিলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি. চিদাম্বরম৷