স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যের বিভিন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের সংখ্যালঘু ভোট অনেকটাই কমেছে। তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ প্রদেশ কংগ্রেসের কাছে। সেটা বুঝেই মঙ্গলবার ফুরফুরা শরীফে যাচ্ছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে দলীয় নেতাদের একটি প্রতিনিধিদল। সেখানে পীর সাহেবদের সঙ্গে দেখা করবেন তাঁরা।

সদ্য সমাপ্ত বিহার নির্বাচনে মাথা তোলার পরই এবার বাংলাকে টার্গেট করেছে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (মিম)। ২০২১-এ পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটে লড়ার ঘোষণা করেছে এআইএমআইএম। রাজনৈতিক মহল মনে করছে তাদের এই ঘোষণা উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসের। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সেই কারণেই বাংলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপরে যাদের অনেকটাই প্রভাব আছে বলে মনে করা হয়, সেই ফুরফুরা শরীফে যাচ্ছেন অধীর চৌধুরীরা।

সূত্রের খবর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাংলাভাষী মুসলিমদের টার্গেট করেছে এআইএমআইএম। তাদের পরিকল্পনা, বাংলাভাষী মুসলিম প্রার্থী হলে তার ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যাবে ইভিএমে। সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও উত্তর দিনাজপুর, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আসাউদ্দিনের দলের সংগঠন বাড়ছে।

এদিকে, মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুরে এখনও কংগ্রেসের সঙ্গে রয়েছে সংখ্যালঘু ভোট।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সিপিএমের দখলেও কিছু সংখ্যালঘু ভোট এখনও অবশিষ্ট রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে এআইএমআইএম প্রার্থী দিলে দুই দলের পক্ষেই সমস্যা হয়ে যাবে বলে পর্যবেক্ষকদের মত।

এআইএমআইএম-কে কীভাবে সামলানো হবে, এনিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে কংগ্রেসে। আলিমুদ্দিনেও বৈঠক হয়েছে বলে খবর। দুই দলই মনে করছে, মেরুকরণের ফায়দা তুলে নিতে পারে এআইএমআইএম ও বিজেপি।

এদিকে, ফুরফুরা-সফরের পর দিন, বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় সভা করতে যাওয়ার কথা প্রদেশ সভাপতির। বাদুড়িয়া সংখ্যালঘু-অধ্যুষিত কেন্দ্র, তার উপরে সেখানকার বিধায়ক এবং প্রয়াত কংগ্রেস নেতা কাজী আব্দুল গফ্ফর-এর ছেলে কাজী আব্দুল রহিম (দিলু) সম্প্রতি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ওই বিধায়কের যোগদানের ফলে উত্তর ২৪ পরগণা কংগ্রেসের আর একজনও বিধায়ক নেই। এই পরিস্থিতিতে বাদুড়িয়ায় সভা করছে কংগ্রেস।

এদিন ফুরফুরা থেকে ফিরে বিধান ভবনে আলোচনায় বসার কথা প্রদেশ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের। আলিমুদ্দিনে বামফ্রন্টেরও বৈঠক রয়েছে। তার পরে সন্ধ্যায় প্রদেশ কংগ্রেস ও বাম নেতৃত্ব মুখোমুখি বৈঠকে বসবেন। যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে সেখানে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।