নয়াদিল্লি- ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় হয়েছিল গেরুয়া বাহিনীর। বিজেপির এই বড় সাফল্যের পিছনে বড় ভূমিকা পালন করেছিল বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার হামলা। বিরোধীদের দাবি ছিল, এই ঘটনাকে হাতিয়ার করেই বিজেপি রণনীতি শক্ত করেছে। হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের আগেও কি একই কৌশলের উপর নির্ভর করছে মোদী সরকার? এমনই দাবি কংগ্রেসের।

২১ অক্টোবর মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় বিধানসভা ভোট। ঠিক তার আগের দিনই কাশ্মীর সীমান্তে ভারতীয় সেনার সঙ্গে পাক সেনার চলল গুলির লড়াই। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, এদিন নীলম ভ্যালিতে ৩টি জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। এই গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ থেকে ১০ জন পাক সেনার। বেশ কয়েকজন জঙ্গিও মারা গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও সঠিক সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই কংগ্রেস মন্তব্য করেছে, ঠিক ভোটের সময়েই হয় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক। আর এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

২০১৯-এর ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামায় সেনার কনভয়ে বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। ৪৯ জন সেনা শহিদ হয়েছিলেন। তার কিছুদিনের সীমান্ত পেরিয়ে আকাশপথে বালাকোটে হামলা চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। তখনও কংগ্রেস দাবি করেছিল, একেবারে পরিকল্পিত ভাবেই সার্জিকাল স্ট্রাইক চালায় মোদী সরকার। দেশবাসীর নজর ঘোরাতেই সার্জিকাল স্ট্রাইককে হাতিয়ার করা হচ্ছে।

কংগ্রেস আরও দাবি করেছিল, মোদী সরকার সারা দেশে মেরুকরণের রাজনীতি করছে। দেশাত্ববোধ, জাতীয়তাবাদকে ভোটের জন্য ব্যবহার করছে। লোকসভার নির্বাচনী প্রচারেও নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ বার বার পুলওয়ামা প্রসঙ্গে টেনেছিলেন। এমনকী, এও বলেছিলেম শহিদদের নামে নিজেদের ভোট উৎসর্গ করুন বিজেপিতে। এই নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও