নয়াদিল্লি: জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা এবং ৩৫এ ধারা বাতিল করার পর থেকে সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছিলেন দেশের বুদ্ধিজীবী-সহ অনেকেই। তাঁদের দাবি ছিল, এই সিদ্ধান্ত কেবলমাত্র রাজনৈতিক।

সকল বিরোধিতার উত্তর দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবিবার মুম্বইয়ের একটি অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে তিনি জানিয়েছেন এই সিদ্ধান্ত জম্মু ও কাশ্মীর-সহ সমগ্র ভারতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তিনি মুম্বইয়ের একটি র‍্যালি থেকে কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তোলেন। ৩৭০ ধারা বাতিল এবং জম্মু ও কাশ্মীরকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করা নিয়ে কংগ্রেসের বিরোধিতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘রাহুল গান্ধী বলেছেন ৩৭০ ধারা বাতিল একটি রাজনৈতিক ঘটনা। তবে আমি বলছি আপনি সদ্যই রাজনীতিতে এসেছেন। তবে জন সংঘ এবং বিজেপি কাশ্মীর নিয়ে তাদের প্রানপাত করেছে। কাশ্মীর কংগ্রেসের কাছে রাজনৈতিক বিষয় হতে পারে। তবে আমাদের কাছে এটা দেশপ্রেম’।

তিনি আরও জানান, মানুষ এখন কাশ্মীরকে দেশের অভ্যন্তরীণ একটি বিষয় হিসেবে ভাবছে। কিন্তু মহারাষ্ট্র বা কর্ণাটককে নয়। কারণ তারা সেটা প্রমান করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে সেখানকার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং ফারুক আবদুল্লা এবং তাঁদের পরিবারের বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন। বলেন, তিনটে পরিবারের শাসনকালে তারা চাননি দুর্নীতি দমন দফতর সেখানে কাজ করুক। তবে আজ সেখানে অ্যান্টি করাপশন ব্যুরো সক্রিয় ভাবে কাজ করছে।

আরও জানান তিনি, কাশ্মীরে নির্বাচন আসতে চলেছে এবং আবারও সেখানে কংগ্রেস যারা কেবলমাত্র রাজনীতি করে এবং বিজেপি যারা সত্যিকারের দেশপ্রেমিক তাদের মধ্যে ফের লড়াই শুরু হতে চলেছে।

অমিত শাহ জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। জানান, পাক অধিকৃত কাশ্মীর প্রসঙ্গ আসতই না যদি, ১৯৪৭ সালে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা না করতেন। যেখানে ভারতীয় সেনারা জম্মু ও কাশ্মীরে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া জবাব দিচ্ছিলেন।

বিজেপি প্রেসিডেন্ট জানান মহারাষ্ট্রে ভালো ফল করা নিয়ে তিনি যথেষ্ট আশাবাদী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.