নয়াদিল্লি: কেন্দ্রের নয়া কৃষি বিল নিয়ে দেশজুড়ে বিক্ষোভ-আন্দোলন চলছে। পঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, রাজস্থান, বিহার-সহ একাধিক রাজ্যে কৃষি বিলের প্রতিবাদে পথে নেমে বিক্ষোভে সামিল কৃষকরা। কৃষি বিল নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীরা।

রাজ্যে-রাজ্যে বিজেপি বিরোধী একাধিক দল পথে নেমে সোচ্চার হয়েছে। কৃষি বিল ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি তুলেছে বিরোধীরা। এরই মধ্যে সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেসশাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কেন্দ্রের নয়া কৃষি বিল কার্যকর না করার পরামর্শ দিয়েছেন।

সংসদে বিরোধীদের তুমুল প্রতিবাদ সত্ত্বেও কৃষি বিল পাস করিয়েছে কেন্দ্র। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ বিলে সই করলেই তা আইন হয়ে যাবে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে বিলটি ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বিরোধীরা।

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, কেন্দ্রের এই নয়া কৃষি বিল কৃষক-স্বার্থ বিরোধী। এমএসপি বেঁধে দিক কেন্দ্র, দাবিতে সরব বিজেপি বিরোধীরা। যদিও এখনও পর্যন্ত বিরোধীদের সেই দাবিকে মান্যতা দেওয়ার ব্যাপারে কোনওরকম চিন্তাভাবনার পথে হাঁটছে না কেন্দ্রীয় সরকার।

এবার কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলিতে কোনওভাবেই যাতে কেন্দ্রের নয়া কৃষি বিল কার্যকর করা না হয় সেব্যাপারে তৎপরতা নিয়েছেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন সোনিয়া। কৃষি বিল কার্যকর না করার পরামর্শ দিয়েছেন সোনিয়া। বরং কৃষক স্বার্থে এখনই প্রকল্প ঘোষণার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

কৃষি বিল নিয়ে ঘোর অস্বস্তি রয়েছে এনডিএ শিবিরেও। কৃষি বিলের বিরোধিতা করে ইতিমধ্যেই এনডিএ সঙ্গ ছেড়েছে বিজেপির দীর্ঘদিনের জোট সঙ্গী শিরোমনি অকালি দল। শিরোমণি অকালি দলের মন্ত্রী হরসিমরাত কাউর বাদল মোদী-মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগও করেছেন।

এনডিএ-র আরও কয়েকটি শরিক দল কৃষি বিল নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে মুখ খুলছে। স্বভাবতই বিষয়টি নিয়ে চাপে আছে মোদী-শাহরা। করোনা মেকাাবিলার পাশাপাশি সীমান্ত সমস্যা থেকে শুরু করে কৃষি বিল নিয়ে বিরোধীদের লাগাতার বিক্ষোভের জেরে খানিকটা হলেও চাপ বাড়ছে মোদী-শাহদের উপর।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।