স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: গেরুয়া ঝড়ে আলগা হাতের মুঠো৷ ভোঁতা হয়েছে কাস্তে-হাতুড়ির ধারও৷ তাই ফের কাছাকাছি আসার ভাবনায় বিধানভবন৷অস্তিত্ব সামাল দিতেই আগামী পুরভোটে বামেদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি পথ খোলা রাখতে চায় প্রদেশ কংগ্রেস৷ সফল হলে ২০১৬-এর প্রতিফলন দেখা যাবে ২১-এও৷

লোকসভা ভোটে দু-দলই চেয়েছিল একসঙ্গে লড়তে৷কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি৷ দফায় দফায় বৈঠক করেও নিজেদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতে পারেননি আলিমুদ্দিন ও বিধানভবনের কর্তারা৷ তবে দুই দলই একে-ওপর পক্ষকে দুটি করে আসন ছেড়েছিল৷ যদিও তাতে কংগ্রেসের লাভ হলেও বামেদের কোনও লাভ হয়নি৷তবে গোটা রাজ্যে জোট না হওয়ার ফল দুই-ই দলই টের পেয়েছে৷ কংগ্রেস-সিপিএম, দু পক্ষেরই ভোটের হার কমেছে৷ কংগ্রেসের চারটি আসন কমে গিয়ে দাঁড়িয়েছে দুটিতে৷ আর যে দুটি তারা জিতেছে সেই দুটি আসন মুর্শিদাবাদ ও মালদহ দক্ষিণে বামেরা কোনও প্রার্থী দেয়নি৷ফলে ভোট ভাগাভাগি না হওয়ার সুফল পেয়েছে কংগ্রেস৷ তবে দুটি আসনে কংগ্রেসের সমর্থন পেয়েও বামেদের শূন্য হাতেই ফিরতে হয়েছে৷

বিধানভবনের অনেক নেতাই এখন মনে করছেন, জোট হলে তাদের আরও দুটি আসন বাঁচানো যেত৷ মঙ্গলবার কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, “আমরা বামেদের ধন্যবাদ জানাই আমাদের দুটি আসন ছাড়ার জন্য৷ আমরাও ওদের দুটি আসন ছেড়েছিলাম৷ আমার মনে হয় বিজেপি-তৃণমূলকে রুখতে গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলোকে একজায়গায় আসা উচিত৷ বামেদের তারা ফের জোটের প্রস্তাব দেবে কিনা, সরাসরি সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি৷ আগামী ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সেবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷”

তৃণমূলের অভিযোগ, বামের ভোট রামে গিয়েছে৷ এমনকি কংগ্রেসের বড় অংকের ভোটও বিজেপিতে গিয়েছে৷ কংগ্রেসের নেতারাও অবশ্য সে অভিযোগ মেনে নিচ্ছেন৷ তাই নিজেদের ক্ষয় রুখতে পুরোনো সব কিছু ভুলে নতুন করে ভাবনাচিন্তা শুরু করছেন তাঁরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।