নয়াদিল্লি: লোকসভা নির্বাচনে ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে প্রথম থেকেই কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন রাহুল গান্ধী৷ এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িতও করেছেন তিনি৷ আর তাঁর স্থানেই কোনও তরুণ নেতাই দায়িত্ব নিক এমনটাই মত পঞ্জাব মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা ক্যাপ্টেন অমরিন্টন সিংয়ের৷

কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটিকে তিনি বলেন, একেবারে নিম্নস্তর থেকে প্যান-ইন্ডিয়াকে অনুপ্রাণিত করতে পারবে এমনই কোনও তরুণ নেতা প্রয়োজন কংগ্রেসের৷ সূত্রের খবর, কংগ্রেস সুশীল কুমার শিন্ডে এবং মল্লিকার্জুন খারগের মধ্যে একজনকে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিতে পারবে৷

পড়ুন: মানহানির মামলায় জামিন রাহুলের

৭৭ বছর বয়সী সুশীল কুমার শিন্ডে মহারাষ্ট্রের পার্কতন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷ ২০০২ সালে তাঁকে দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নমিনি হয়েছিলেন৷ অন্যদিকে ৭৬ বছর বয়সী মল্লিকার্জুন খারগে লোকসভা নির্বাচনে সাফল্যের মুখ দেখেননি৷ তিনিও কংগ্রেসের ক্ষমতায় থাকাকালীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন৷

প্রসঙ্গত ৩ জুলাই চার পাতার একটি ছবি ট্যুইটারে পোস্ট করে পদত্যাগের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। সেখানে স্পষ্টভাবে বলেন, ‘লোকসভা নির্বাচনে হারের দায় আমার এবং অনেকেরই। তবে আমি অন্যদের দায় দিতে পারি না। সভাপতি হিসেবে আমি দায় নিতে পারি।’

রাহুল গান্ধী কংগ্রেস প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর থেকেই বহু কংগ্রেস নেতা নিজেদের পদ থেকে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন৷ একদিকে রাহুল গান্ধীকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে পুনর্বিবেচনার আবেদনও যেমন জানানো হয়, তেমনই তিনি ইস্তফা দিলে আত্মহত্যা করবেন বলেও জানান একাধিক জন৷ তবে নির্বাচনে ব্যর্থতার দায় নিয়ে রাহুল ইস্তফা দিতে অনড় ছিলেন এবং গতকাল ৩ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেস সভাপতির পদ ছাড়েন