নয়াদিল্লি: কংগ্রেসের অন্দরে ফের বড় ধাক্কা। দলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করলেন কংগ্রেসের ন্যাশনাল মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর রচিত শেঠ। বৃহস্পতিবার নিজের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। তিনি পদত্যাগ করে বলেন, রাহুল গান্ধী পদত্যাগ করার পর আর পদে থাকার কোনও মানে হয় না। তাঁর মতে, বিজেপির কোনও দোষ নেই, সমস্যা রয়েছে দলের অন্দরেই।

এর আগে রচিত শেঠ ট্যুইট করে বলেন, ‘৪৫ দিন পেরিয়ে গিয়েছে অথচ এখনও পর্যন্ত নতুন কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট খোঁজার কোনও সম্ভাবনা নেই।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘আমার জীবন এবং রক্ত সবসময় প্রগতিশীল ভারতের পক্ষে। ইন্দিরা গান্ধী সবসময় আমার অনুপ্রেরণা হবে।’

এমনিতেই রাহুল গান্ধী পদত্যাগ করার পর থেকেই একের পর এক কংগ্রেস নেতারা ইস্তফা দিয়েছেন। কিছুদিন আগেই ন্যাশনাল জেনারেল সেক্রেটারি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসের এই দাপুটে নেতাকে অনেকেই সেরাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের বিপুল জয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চেয়েছিলেন। সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র।

লোকসভায় মাত্র ৫২টি আসন পেয়ে ভরাডুবি হয়েছে কংগ্রেসের। এমনকি নিজের পুরনো কেন্দ্র আমেঠিতে হার হয়েছে রাহুলের। ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরই পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাহুল। তবে নতুন সভাপতি খুঁজে না পাওয়া অবধি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন রাহুলই।
লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবির পরই দলের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। এই ঘটনার পর থেকেই দলের ভেতর নতুন করে চাড়া দিয়ে ওঠে নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব।

মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সভাপতি দীপক বাবারিয়া এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “দলের নেতৃত্বে সামনের সারিতে যারা রয়েছেন, প্রত্যেকের হারের দায় স্বীকার করে ইস্তফা দেওয়া উচিত”। এরপরই পদত্যাগের হিড়িক পড়ে যায়।