নয়াদিল্লি: ২১শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস৷ তার আগে গান্ধী পরিবারকে একহাত নিলেন যোগগুরু রামদেব৷ বুধবার তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যোগ ব্যায়াম করার অভ্যাস রয়েছে৷ যারাই যোগ ব্যায়াম করবেন, তারাই আচ্ছে দিন দেখতে পাবেন৷ কিন্তু কংগ্রেস লোকসভা নির্বাচনে হেরেছে তার কারণ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী যোগ ব্যায়াম করেন না৷ এমনই মত রামদেবের৷

এদিন রামদেব মোদীর প্রশাংসা করেন যোগব্যায়মের প্রচার করার জন্য৷ তারই সাথে সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধীর৷ তিনি বলেন যোগ ব্যায়ামের জন্য সময় নেই রাহুল গান্ধীর৷ জহরলাল নেহেরু ও ইন্দিরা গান্ধী লুকিয়ে যোগাভ্যাস করতেন৷ কিন্তু তাঁদের পরবর্তী প্রজন্ম সে পথে হাঁটে না৷ কিন্তু উল্টোদিকে, মোদীজি সবার সাথে, সবার মাঝে বসে যোগাভ্যাস করেন৷

যদিও বছর খানেক আগেই রামদেব একটি চ্যানেলে সাক্ষাতকার দিতে গিয়ে বলেছিলেন রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধী নিয়মিত যোগাভ্যাস করেন৷ রাহুল ও তাঁর সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি৷ তবে এদিন ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে তাঁর বয়ান বদলে ফেলেন রামদেব৷ তিনি বলেন রাহুল গান্ধী যদি যোগ ব্যায়াম করেন, তাহলে তিনিও আচ্ছে দিন দেখতে পাবেন৷

এর আগে, লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে বিরোধীদের স্ট্রেস কমানোর নয়া দাওয়াই দিয়েছিলেন যোগগুরু রামদেব। তাঁর পরামর্শ ছিল, স্ট্রেস দূর করতে আগামী ১০-১৫ বছর বিরোধী নেতারা কপালভাতি অভ্যাস করুন। অর্থাৎ ১০-১৫ বছরেও মোদী সরকার যাবে না বলেই মনে করছেন তিনি।

বিরোধীরা ভেবেছিলেন এবার আর বিপুল জয় পাবে না বিজেপি। কিন্তু তাঁদের সব আশা ব্যর্থ করে ৩০২ টি আসন পেয়েছে বিজেপি। এক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় মাথায় হাত বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের। প্রত্যেকেই হার শিকার করে নিয়েছেন মোদীর কাছে।

রামদেব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশ অর্থনৈতিক, মনন ও সাংস্কৃতিক দৈন্য থেকে মুক্তি পাবে। অমিত শাহ, নীতিন গদকড়ি ও পীযূষ গোয়েল সহ যে সমস্ত মন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন, তাঁরা সকলে জনগণের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করবেন। আগামী ৫ বছর তাঁরা কঠিন পরিশ্রম করবেন।’

রামদেব বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আগামী ১০-১৫ বছর বিরোধী নেতাদের বহু বার কপালভাতি ও অনুলোম-বিলোম অভ্যাস করতে হবে, একমাত্র সেভাবেই তাঁরা নিজেদের উপর চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।’