কলকাতা: শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। আসন্ন নির্বাচনে এবার জোট করে লড়াইয়ের ময়দানে বাম-কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই দু’দলের আসন সমঝোতা নিয়ে দু’বার আলোচনা হয়েছে। তবে খনও চূড়ান্ত রফা-সূত্র মেলেনি। আজ ফের বাম-কংগ্রেসের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা হবে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর আমন্ত্রণে আজ বিধান ভবনে যাবেন বাম নেতারা।

গত বারের জেতা আসন ভাগ আগেই হয়ে গিয়েছে। আগের বারের জেতা আসনের নিরিখে কংগ্রেসের ৪৪ ও বামেদের ৩৩ আসন ছেড়ে দেওয়া নিয়ে আগেই দু’দলের ঐক্যমত্য হয়েছে। বাকি ২১৭ আসন নিয়েই এবার আলোচনা হবে। এর আগে দু’বার আসন-রফা নিয়ে দু’দলের আলোচনা হয়েছে।

এবার তৃতীয়বার ফের একই ইস্যুতে কথা হবে। বামেরা মনে করে, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন ও ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের নিরিখেই আসন-রফা হওয়া উচিত। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের তরফে আসন নিয়ে একি তালিকা তৈরি করে তা পাঠানো হয়েছিল আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে। সেই তালিকা নিয়ে আলোচনা করেছেন বাম নেতারা।

জানা গিয়েছে, কংগ্রেসের পাঠানো সেই তালিকা মেনে নিলে অনেক বাম শরিকই মনক্ষুন্ন হতে পারে। কাটা পড়তে পারে সিপিআই, আরএসপি, ফরওয়ার্ড ব্লক দলের বেশ কিছু আসন। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট হলেও শরিকদের সঙ্গে মতানৈক্য বাড়তে দিতে নারাজ সিপিএম। ইতিমধ্যেই এব্যাপারে সিপিএম নেতারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা সেরেছেন।

ঘরোয়া আলোচনায় অনেক শরিক নেতাই কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে সায় দিলেও আসন ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের জায়গা ছাড়তে রাজি নন বলে জানিয়েছেন। যদিও ঐক্যমত্যের ভিত্তিতেই আসন-বণ্টন থেকে শুরু করে সব পদক্ষেপ করার আশ্বাস বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বের। আলোচনার মাধ্যেই যাবতীয় জটিলতা মেটাতে আগ্রহী দু’পক্ষই। সেই লক্ষেই অধীর চৌধুরীর আমন্ত্রণে আজ বিধান ভবনে যাবেন বাম নেতারা। আসন-রফা নিয়ে আরও এক প্রস্থ আলোচনা হবে বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বের মধ্যে।

একুশের লড়াই জমজমাট। একদিকে ‘উন্নয়ন’-কে হাতিয়ার করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে সচেষ্ট শাসকদল তৃণমূল। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ময়দানে বিজেপি। একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির। নির্বাচনী লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে বাম ও কংগ্রেস। একুশের ভোটে জোট করে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দু’পক্ষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।