হাওড়া : বামেদের ডাকে দেশজুড়ে চলছে সাধারণ ধর্মঘট। সকাল থেকেই কোলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও বন্ধের সমর্থনে পথে নেমেছেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। তাদের পাশাপাশি কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরাও বন্ধ সার্থক করতে বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় নেমেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বন্ধ সফল করতে গ্রামীণ হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান, বিক্ষোভ, অবরোধ করেন কংগ্রেস কর্মীরা। তাদের নেতৃত্ব দেন জেলার একমাত্র বিরোধী বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সহ-সভাপতি অসিত মিত্র। অসিত বাবু এদিন সকালে আইটিইউসি কর্মীদের নিয়ে বাগনানে বন্ধের সমর্থনে মিছিল করেন। এই মিছিলে সিআইটিইউয়ের কর্মীরাও যোগ দেন। এরপর কল্যাণপুর, সাবসিট সহ বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা অবরোধ করেন বন্ধকারীরা। তাদের সাথেও পা মেলান আমতার বিধায়ক। সকাল ১১ টা নাগাদ আমতা বিধানসভার জয়পুরে ওভারসীজ ব্যাঙ্কের সামনে ধর্মঘটের সমর্থনে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন অসিত মিত্র। অসিত মিত্র বলেন,”স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ এদিন আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ধর্মঘটে সামিল হয়েছেন।”

কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলির ডাকে দেশজুড়ে চলছে সাধারণ ধর্মঘট। কলকাতার ধর্মতলা, কোচবিহার, ব্যারাকপুর, সিউড়িতে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বাম ও কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনগুলি। ধর্মঘটের সমর্থনে কোথাও কোথাও অবরোধ করা হয়েছে। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় লোকাল ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। মেন লাইনেও আটকানো হয়েছে ট্রেন। বেলা যত বাড়ছে, তত ধর্মঘটের প্রভাব পড়ছে।

আগামী বছর বিধানসভা ভোটের আগে ধর্মঘটকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার শক্তি পরীক্ষায় নেমেছে বাম এবং কংগ্রেস। কেন্দ্রের শ্রমিক-সহ বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সাত দফা দাবি-সহ দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘট করা হচ্ছে।

ভারতীয় মজদুর সংঘ ছাড়া ১০ টি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন সেই ধর্মঘটে সামিল হয়েছে। ইস্যুগুলিতে সমর্থন জানালেও ধর্মঘটের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বরং অন্যান্যবারের মতো সরকারি কর্মচারীদের উপস্থিতি নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বিজেপি অবশ্য ধর্মঘটের বিরোধিতা করছে।

ধর্মঘটে সামিল হয়েছে ‘অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িস অ্যাসোসিয়েশন’। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (এসবিআই) এবং ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক ছাড়া অধিকাংশ ব্যাঙ্কের কর্মী-অফিসাররা সেই ইউনিয়নের ছাতার তলায় আছে। বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত, পুরনো বেসরকারি এবং কয়েকটি বিদেশি ব্যাঙ্কের চার লাখ কর্মী এআইবিইএয়ের সদস্য। তার ফলে দেশজুড়ে রাষ্ট্রায়ত্ত এবং বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির পরিষেবা ধাক্কা খেতে পারে। এটিএম পরিষেবাও ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।