নয়াদিল্লি: কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে শুরু থেকে মোদী নেত্বৃতাধীন এনডিএ সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিল কংগ্রেস। তবে বুধবার প্রাক্তন কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধি একটি টুইট করেন যেখানে তিনি লিখেছেন কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীন বিষয়। যা দেখে মনে হতেই পারে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী গ্রেফতারের পর কোণঠাসা কংগ্রেস মোদী সরকারের সিদ্ধান্তের কাছে মাথানত করছে।

তাছাড়াও, জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ নিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, যেখানে অনৈতিক কাজে প্ররোচনা দেওয়া এবং সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে সহায়তা করার জন্য তিনি পড়শি দেশ পাকিস্তানকে দায়ী করেছেন। এছাড়াও তিনি সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপকে প্রত্যক্ষ ভাবে মদত দেওয়ার জন্য পাকিস্তান কে সরাসরি ভাবে দায়ী করেছেন।

“আমি বর্তমান সরকারের অনেক কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করেছি, তবে একটা কথা স্পষ্ট করে জানাতে চাই কাশ্মীর সমস্যা সম্পূর্ণ ভাবে ভারতের অভ্যন্তরীন একটি বিষয় সেখানে পাকিস্তান বা অন্য কোন দেশের নাক গলানোর কোন জায়গা নেই।” প্রাক্তন কংগ্রেস প্রধান এমনটাই জানিয়েছেন।

অন্য একটি টুইটে কাশ্মীরের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে জানিয়েছেন এই অশান্ত পরিস্তিতির জন্য একমাত্র দায়ী পাকিস্তান এবং তাদের প্ররোচনা এবং মদতেই কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদীরা তাদের কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে। কাশ্মীর সমসস্যা নিয়ে পাকিস্তান জাতিসঙ্ঘে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল যেখানে তারা পরিস্কার করে লিখেছিল কাশ্মীরে মানুষ খুন হওয়া নিয়ে রাহুল গান্ধিও তাদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও, জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এবং মেহেবুবা মুফতির ঘটনাটিও সেই চিঠিতেও লেখেন।

কংগ্রেসের মিডিয়া-ইন-চার্জ রনদীপ সিং সুরজেওয়ালা জানিয়েছেন ” জাতিসঙ্ঘে দেওয়া পাকিস্তানের তরফে চিঠিতে রাহুল গান্ধী সম্পর্কে মিথ্যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে একটা বিষয় জানিয়ে রাখা উচিত কাশ্মীর এবং লাদাখ এই দুই বিষয়ই ভারতের একদম অভন্তরীন একটি বিষয়। পাকিস্তানের তরফ থেকে কোন প্ররোচনাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে না।

এই মুহূর্তে পাক অধীক্রীত কাশ্মীরে মানবাধিকার আইন অমানুষিক ভাবে লঙ্ঘনের কারনে পাকিস্তানকে সাড়া বিশ্বের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে। এছাড়া ২৫০০০ সাধারন মানুষকে পাকিস্তানী সৈন্য দিয়ে মারার কারন ও জানাতে হবে পাকিস্তানকে বলেও জানানো হয়।