বেঙ্গালুরু: লোকসভা নির্বাচনে ঘটেছে ভরাডুবি। তামিলনাড়ু ছাড়া দেশের আর কোনও রাজ্যে মেলেনি বিশেষ সাফল্য। সেই দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কর্ণাটকের পুরসভা নির্বাচনে বিশেষ সাফল্য পেল কংগ্রেস। বিরোধী শিবিরের কাছে রীতিমতো চাপের বিষয়।

লোকসভা নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ার পরে গত মাসের ২৯ তারিখ ওই রাজ্যের ২০ জেলায় পুরসভা নির্বাচন হয়। যার ফল ঘোষণা হয়েছে শুক্রবার। ব্যালট বাক্স ভুলিয়ে দিয়েছে লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়রে দুঃখ।

কর্ণাটকের ২০ জেলায় মোট ১২২১ ওয়ার্ডে হয়েছিল নির্বাচন। যার মধ্যে ৫০৯ টি ওয়ার্ডেই জিতেছে কংগ্রেসের প্রার্থীরা। অন্যদিকে বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছে ৩৬৬টি আসন। রাজ্যে কংগ্রেসের জোট শরিক জেডিএস স্থানীয় নির্বাচনে একা লড়াই করেছিল। তাদের ঝুলিতে গিয়েছে ১৭৪টি ওয়ার্ড। নির্দল প্রার্থীদের দাপট কিছু কম নেই এই নির্বাচনে। তাদের দখলে রয়েছে ১৬০টি ওয়ার্ড। বিএসপি তিনটি, সিপিএম দু’টি এবং অন্যান্যরা সাতটি ওয়ার্ডে জিতেছে।

গত বছরে ওই রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। যেখানে ভোটের সংখ্যা এগিয়ে থাকলেও আসন সংখ্যায় অনেক পিছিয়ে ছিল কংগ্রেস। বিজেপি আসনে এগিয়ে থাকলেও ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারেনি। সেই সুবাদে জেডিএস-এর সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করে কংগ্রেস। প্রথম থেকেই জোট নিয়ে জটিলতা চলছিল। লোকসভা নির্বাচনে যার ফায়দা তুলেছে বিজেপি।

তবে লোকসভা নির্বাচন শেষ হতেই পুরসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সাফল্য উজ্জীবিত করেছে হাত শিবিরের নেতাদের। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সাফল্য পেয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। হাত শিবিরের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা জানিয়েছেন যে লোকসভা নির্বাচন হয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে। যারা ইভিএম পরিচালনা করে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অধীনে হওয়া ভোটে বিজেপি জিততে পারে না বলে দাবি করেছেন কংগ্রেসের মুখপাত্র।