নয়াদিল্লি: বামেদের সঙ্গে সমঝোতার রাস্তা খোলা রেখেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত না হলেও লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়েছে হাত শিবির।

আরও পড়ুন- অস্বচ্ছ প্রশাসন, অখুশি হিন্দু-মুসলমান শুধু গ্রামীণ প্রকল্পে পাশ মোদী

সোমবার লোকসভা নির্বাচনের ২৬ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে কংগ্রেস। যার মধ্যে ২৫টি পশ্চিমবঙ্গের। বাকি একটি মহারাষ্ট্রের। এর আগে এই রাজ্যের ১১ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। এদিন দ্বিতীয় দফার পর রাজ্যে কংগ্রেসের মোট ঘষিত প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩৬।

আরও পড়ুন- ত্রিপুরায় স্থানীয় ফুটবলারকে প্রার্থী করে বাজিমাত করতে চাইছে তৃণমূল

মোট ৪২ টি আসনের মধ্যে ৩৬ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এখনও বাকি রয়েছে ছয়টি আসন। প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রের খবর, আর দু’টি আসনে প্রার্থী দেবে কংগ্রেস। বাকি চার আসন ফাঁকা রাখা হচ্ছে। বলা ভালো, এই চারতী আসন বামেদের ছেড়ে দিচ্ছে কংগ্রেস।

এই চারটি আসন হচ্ছে- উত্তর কলকাতা, যাদবপুর, বাঁকুড়া এবং আসানসোল। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোত করে লড়াই করেছিল বাম-কংগ্রেস। সাফল্য বিশেষ আসেনি। পরে অনেক উপনির্বাচনে একলা চলার পন্থা নিয়েছিল প্রদেশ নেতৃত্ব। সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে জটের সম্ভাবনা দেখা দিলেও তা আর বাস্তবায়িত হয়নি। দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পরে ভেস্তে গিয়েছে বাম-কংগ্রেস জোট।

আরও পড়ুন- নিউ জিল্যান্ডের মতো জঙ্গি হামলা হতে পারে গোয়াতেও, সতর্কতা জারি

জোট না হলেও রাজ্যের চার আসনে প্রার্থী দিচ্ছে না কংগ্রেস। এই বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেছেন, “রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বামেরা দীর্ঘদিন দরে আন্দোলন করছে। সেই আন্দোলনকে সম্মান জানিয়ে আমরা চার আসনে রাজ্যের চারটি আসনে প্রার্থী দিচ্ছি না।”

গত শনিবার রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। মালদহের জনসভায় দাঁড়িয়ে কড়া ভাষায় বাম, বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন তিনি। সোমবার আবার ওই একই জায়গায় সভা করেন তৃণমুল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির সঙ্গে কংগ্রেসের আঁতাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।