মালদহ: মালদহের মানিকচকের কংগ্রেস প্রার্থী ওপর হামলা। নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার সময় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মোস্তাকিম আলম। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।

মালদহের মানিকচক বিধানসভার নতুন নগরিয়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনায় থানায় ও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্তদর গ্রেফতারের প্রতিবাদে বাম কংগ্রেস কর্মী সর্মথকরা মালদা মানিকচক রাজ্য সড়ক অবরোধ করে। ঘটনায় ইংরেজবাজার থানায় ও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছে কংগ্রেস। যদিও মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ বলে দাবি তৃণমূলের।

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে। তাপমাত্রার পারদের সাথে সাথে উত্তেজনা বাড়ছে। এদিনের নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণ মালদার কংগ্রেস সাংসদ আবু হাশেম খান চৌধুরী। তার গাড়িতেও আঘাত করা হয়।অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। ঘটনার প্রতিবাদে মানিকচকে কংগ্রেস ও সিপিএমের বিক্ষোভ দেখানো হয়।

মুস্তাকিম আলম বলেন এদিন সকালে ওই এলাকায় আমাদের একটি কর্মী সভা ছিল। সেই কর্মীসভা সেরে আমি দক্ষিণ মালদার সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী মালদা শহরে ফিরছিলাম। সেই সময় ওই এলাকায় তৃণমূলের প্রধান জাহিদুল শেখ বেশ কিছু দুষ্কৃতীকে নিয়ে আমারও সাংসদের গাড়িতে হামলা করে। আমার গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। নিরাপত্তারক্ষী থাকায় কোনরকমে রক্ষা পাই। এরপর সাংসদের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা করা হয়।

তিনি আরও বলেন নির্বাচনকে প্রহসনের পরিণত করতে চাইছে তৃণমূল। তৃণমূল বুঝে গেছে ওরা জিততে পারবেনা। আর সেই কারণে পঞ্চায়েত ভোটের কায়দায় সন্ত্রাস চালানোর পরিকল্পনা করেছে।আমি ইংরেজ বাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে নির্বাচন কমিশন এর সমস্ত ঘটনা লিখিত ভাবে জানাচ্ছি।

যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের মালদা জেলার মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, ভিত্তিহীন মিথ্যা অভিযোগ করছে কংগ্রেস। প্রচারের আলোয় আসার জন্যই এই অভিযোগ। জেলার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান,এদিকে এই ঘটনার পরই ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী ছুটে যায়। তবে এখনো পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার বা আটক করেছে কিনা তা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.