হায়দরাবাদ: একজনের সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৯০০ কোটি টাকা৷ অপরজন মাত্র ৫০০ টাকার মালিক৷ দু’জনেই একই কেন্দ্র থেকে এবার লোকসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছেন৷ প্রথম দফার নির্বাচনে এঁরা দুই জনেই হলেন ধনী ও গরিব প্রার্থী৷

শুরু হল সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন৷ বৃহস্পতিবার ১৮টি রাজ্যের ৯১টি লোকসভা কেন্দ্রে চলছে ভোটগ্রহণ৷ তবে এই ৯১টি কেন্দ্রের মধ্যে একটি কেন্দ্র শুষে নিয়েছে প্রচারের আলো৷ সৌজন্যে কংগ্রেস ও জনতা দল প্রার্থী৷

তেলেঙ্গানার ছেভেল্লা লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন কোন্ডা বিশ্বেশ্বর রেড্ডি৷ কংগ্রেসের প্রতীকে তিনি এবার দাঁড়িয়েছেন৷ প্রথম দফার নির্বাচনে যত জন প্রার্থী দাঁড়িয়েছেন তাদের মধ্যে সবথেকে ধনী প্রার্থী বিশ্বেশ্বর রেড্ডি৷ তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি পরিমাণ শুনলে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য৷ কংগ্রেস প্রার্থীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৮৯৫ কোটি টাকা৷ অপরদিকে এই কেন্দ্রেই প্রথম দফার সবথেকে গরিব প্রার্থী দাঁড়িয়েছেন৷ জনতা দলের প্রার্থী নল্লা প্রেম কুমারের ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ মাত্র ৫০০ টাকা৷

২০১৪ সালে লোকসভা ভোটে জিতে সাংসদ হন বিশ্বেশ্বর রেড্ডি৷ তখন তিনি তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির প্রার্থী ছিলেন৷ চার বছর পর রাজনৈতিক শিবির বদলান৷ যোগ দেন কংগ্রেসে৷ রাহুল গান্ধীর দল ছেভেল্লা কেন্দ্রটি তাঁকে ছেড়ে দেয়৷ যদিও এই কেন্দ্র থেকে তাঁর জয় নিয়ে এবার অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে৷ কারণ ছেভেল্লা কেন্দ্রটি টিআরএসের গড় বলেই পরিচিত৷ এই কেন্দ্রে টিআরএস দাঁড় করিয়েছে রঞ্জন রেড্ডিকে৷ তিনি প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়েছেন৷ কিন্তু ২০০৪ সাল থেকে রঞ্জন রেড্ডি দলের সদস্য৷

তেলেঙ্গানার ধনী ও সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছেন বিশ্বেশ্বর রেড্ডি৷ তাঁর পরিবারের সঙ্গে রয়েছে রাজনৈতিক যোগও৷ রেড্ডির ঠাকুরদা বেঙ্কট রঙ্গ রেড্ডি অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন৷ তাঁর বাবা মাধব রেড্ডি অন্ধ্রপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন৷ বিশ্বেশ্বর রেড্ডির শ্বশুর প্রতাপ সি রেড্ডি অ্যাপোলো হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান৷ স্ত্রী সঙ্গীতা রেড্ডি ওই হাসপাতালের ডাইরেক্টর৷ বিশ্বেশ্বর নিজে একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং শিল্পপতি৷