নয়াদিল্লি ও কলকাতা: প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই দলবেঁধে মিছিল করে পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি আসনের মনোনয়ন জমা করে হেসেছিলেন বর্ষীয়ান বিধায়ক নেপাল মাহাত। বলেছিলেন দল না চাইলে নাম প্রত্যাহার করবেন। দল যে তাঁকে চায়, সেটি প্রমাণিত।

শনিবার সংযুক্ত মোর্চার মেজ শরিক হিসেবে জাতীয় কংগ্রেস ১৩ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল। সেই তালিকায় বাঘমুন্ডি থেকে জ্বলজ্বল করছে নেপাল মাহাতর নাম।

প্রথম দফার নির্বাচনের আগে সংযুক্ত মোর্চার বড় শরিক সিপিআইএম ৩৮ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে কংগ্রেসের জন্য বরাদ্দ আসনের নাম জানানো হয়নি। পরে প্রদেশ কংগ্রেস ও এআইসিসি আলোচনা করে নাম চূড়ান্ত করে শিলমোহর দিল।

সংযুক্ত মোর্চার তৃতীয় শরিক আইএসএফ এবার তাদের প্রার্থী ঘোষণা করবে। তাৎপর্যপূর্ণ, কংগ্রেসের তালিকাতেও নেই নন্দীগ্রাম আসন। বামেরাও দেয়নি। মনে করা হচ্ছে, এই কেন্দ্রে আব্বাস সিদ্দিকীর দল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট লড়বে।

শনিবারই বিজেপি যে প্রার্থী তালিকা দিয়েছে, তাতে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম আসনে দাঁড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন। তৃণমূল ছেড়ে শুভেন্দুবাবু বিজেপিতে যেতেই মুখ্যমন্ত্রী জনসভায় ঘোষণা করেন নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়াচ্ছেন। দলীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানেও তিনি বলেছেন আমি কথা দিলে কথা রাখি।

তৃণমূলের প্রার্থী তালিকার পরেই সংযুক্ত মোর্চার তরফে সিপিআইএম ও বাকি দুই জোট শরিক কংগ্রেস, আইএসএফ তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, নন্দীগ্রাম এখন প্রেস্টিজিয়াস সিট, ওখানকার প্রার্থীর নাম পরে জানানো হবে।

আরো পোস্ট- ফের অসুস্থ সাধ্বী প্রজ্ঞা, এয়ারলিফ্ট করে আনা হল মুম্বই

শনিবার কংগ্রেসের প্রার্থীদের মধ্যে নন্দীগ্রাম নেই দেখে জল্পনার অবসান। এই কেন্দ্র আইএসএফ দলকেই দেওয়া হচ্ছে। আগেই বাম শরিক সিপিআই জানিয়েছিল, তারা তাদের বরাদ্দ থেকে নন্দীগ্রাম আসন ছাড়ছে। এর পর আইএসএফ সুপ্রিমো আব্বাস সিদ্দিকী জানান, নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে তাঁর পরিবারের কেউ লড়বেন। তবে তিনি নাম জানাননি।

সূত্রের খবর, ফুরফুরা শরিফ থেকে প্রার্থী ঘোষণা করবে আইএসএফ। সেখানেই স্পষ্ট হবে নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে সংযুক্ত মোর্চার কে লড়াই করবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.