কলকাতা ২৪X৭ ডেস্ক: পদ্মফুল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। ছেলে শুভ্রাংশু রায়কে সঙ্গে নিয়ে এদিন তৃণমূলে পুনরায় যোগ দেন মুকুল রায়। তাদের যোগদানের সময় তৃণমূল ভবনে হাজির ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুকুলের পাশেই বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সকাল থেকেই জল্পনা চলছিল তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন মুকুল। এই খবরের পরই টুইটারে নারদ মামলা নিয়ে খোঁচা দেন অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি (Abhisek Singhvi)।

মুকুল রায়ের যোগদান নিয়ে তিনি টুইটে বলেন, ‘খবর অনুযায়ী মুকুল রায় ও তাঁর ছেলে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করছেন৷ তবে কি নারদ তদন্ত (Narda investigation) নিয়ে তাঁদের অবস্থান বদলাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা?’

আসলে এমন মন্তব্যের কারণ একটাই। নারদ মামলা নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে খোঁচা দেওয়া। কয়েকদিন আগে নারদ মামলা ইস্যুতে সিবিআই-এর তৎপরতা তুঙ্গে উঠেছিল। গ্রেফতার করা হয়েছিল ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র (Madan Mitra) ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মত হেভিওয়েট নেতাদের। এরপর নাটকীয়ভাবে বারবার এই মামলার মোড় ঘুরতে থাকে। গত ৯ জুন এই মামলার শুনানিতে সিসিটিভি ফুটেজ চায় কলকাতা হাইকোর্ট। গত ১৭ মে চার হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীর গ্রেফতারের (Arrest) পর ঠিক কি ঘটেছিল বিশদে জানতে চায় কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ। সিবিআই (CBI)-এর কাছে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) চাইল বৃহত্তর বেঞ্চ।

এই নারদকান্ডে কেবল এই চার হেভিওয়েট নেতা নয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল মুকুল রায়কেও। তবে এই গ্রেফতারির ঘটনা যখন ঘটে, তখন মুকুল ছিলেন বিজেপি-তে। তাই রাজনৈতিক মহলের একাংশের অভিযোগ ছিল, পদ্মে থাকার জন্যই গ্রেফতারির হাত থেকে বেঁচেছে মুকুল-শুভেন্দু।

কিন্তু এদিন মুকুল রায়ের তৃণমূলে হইচই পড়তেই অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি টুইটে খোঁচা দেন। এবং তাতে লেখেন, ‘খবর অনুযায়ী মুকুল রায় ও তাঁর ছেলে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করছেন৷ তবে কি নারদ নিয়ে তাঁদের অবস্থান বদলাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা?’

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টে নাগাদ তৃণমূলে ঘরওয়াপসি করেন সপুত্র মুকুল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে তৃণমূল ভবনে উপস্থিত থাকেন সেসময়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.