বালুরঘাট : তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হলো গঙ্গারামপুর শহর এলাকা। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উভয় তরফেই গুলি পাল্টা গুলি চলেছে। দুটি দোকান ও বাইক ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

বিধানসভা নির্বাচনের সপ্তম দফার ভোট মিটতেই তোলাবাজিকে কেন্দ্র করে শাসক দলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে জের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ দিনাজপরের গঙ্গারামপুর শহর।

গঙ্গারামপুর থানা থেকে ঢিলছোঁড়া দুরত্বে বড়বাজার এলাকার ঘটনায় এলাকায় রীতিমতো আতংকের পরিবেশ। আগ্নেয়াস্ত্র সমেত একজনকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি উভয় পক্ষেরই বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(গ্রামীণ)এর নেতৃত্বে বিরাট পুলিশ এলাকা টহলদারি শুরু করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ঘটনার সূত্রপাত বুধবার রাতে। থানার পাশেই শহরের বড় এলাকায় এই বিবাদের সূত্রপাত। ঘটনায় একপক্ষ অপরপক্ষের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে তোলাবাজির অভিযোগ করেছে। একই সাথে ছিনতাই ও পুলিশের নাকের ডগায় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোরও অভিযোগ তুলেছে।

বড় বাজার এলাকার ব্যবসায়ী ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা বিপ্লব মিত্রর গোষ্ঠীর ওম গুপ্তার অভিযোগ বুধবার রাতে বাবু চৌধুরী নামে এলাকার এক দুষ্কৃতি তাঁর দোকানে এসে তোলাবাজির চেষ্টা করে। তা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁর গলার চেন ছিড়ে নেন ও দোকানের এক কর্মীকে তালা দিয়ে মুখে আঘাত করে। ওম গুপ্তার অভিযোগ অভিযুক্ত বাবু চৌধুরী তৃণমূলের সভাপতি গৌতম দাসের অনুগামী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে বুধবার রাতের এই ঘটনায় বড় বাজার এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরী হয়। বৃহস্পতিবার সকালেও দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় গন্ডগোলের চলে। দুই তরফেই দুই রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে। ব্যবসায়ীরা গন্ডগোলের আশঙ্কায় দোকানপাট বন্ধ রাখেন। দলীয় গোষ্ঠীর গন্ডগোলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি গৌতম দাস।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.