ঢাকা: বাংলাদেশে ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতি কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের আশঙ্কা বাংলাদেশের আইইডিসিআরের। আইইডিসিআরের তরফে জানানো হয়েছে যে করোনা আক্রান্তদের মাধ্যমে দেশে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে। তবে তা সীমিত আকারে।

নয়া এই তথ্যে তীব্র আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে মহাখালীতে অনুষ্ঠিত কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সার্বিক ব্রিফিং-এ এমনটাই জানিয়েছে আইইডিসিআর। অন্যদিকে স্বাস্থমন্ত্রী জাহিদ মালেন জানান, দেশে আরও একজন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬ জনে। এছাড়া নতুন করে আরও তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৫৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে, সুস্থতার পরিসংখ্যানের ধারে পাশেও পৌঁছায়নি মৃত্যু। তবুও যে সব দেশে অদৃশ্য ঘাতক হামলা চালাচ্ছে, তাদেরই কয়েকটি মৃত মানবের নগরী হিসবে পরিচিত। বুধবার পর্যন্ত ৪২ হাজার প্রাণ কেড়েও থামেনি ভাইরাসটি। আর সুস্থ হয়েছেন ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ১১৯ জন। ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য বলছে, করোনার হামলায় চিন, ইরানে যেমন মৃত মানুষের ঢল নেমেছিল, তেমনই ইউরোপের ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, ব্রিটেনের অবস্থা। এছাড়াও আরও ইউরোপীয়ান দেশগুলিতেও শয়ে শয়ে মারা যাওয়ার পালা চলছে।

করোনাভাইরাস বিশ্ব মহামারিতে ১৮০টি দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লক্ষ ৫৮ হাজার ৭৮৫ জন। ইউরোপের পাশাপাশি উঠে আসছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা। ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৩৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত। মৃত তিন হাজার ৯০০ জনের। তবে এখনও মৃতের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ইতালি। এই দেশে মৃতের সংখ্যা ১২ হাজার ৪২৮ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৫ হাজার ৭৯২ জন। দ্বিতীয় স্থানে স্পেন।

মৃতের সংখ্যা ৮ হাজার ৪৬৪ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ৯৫ হাজার ৯২৩ জন। তৃতীয় চিন। ৮২ হাজার ২৯০ জন। এর মধ্যে তিন হাজার ৩১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। চিন থেকেই করোনা বিশ্ব জুড়ে ছড়ায়। এর পরে আসছে ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকার মতো দেশের অবস্থা। তিন দেশেই হাজারে হাজারে মৃত। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা আরও বহু মানুষের মৃত্যু হতে পারে করোনা সংক্রমণে।