কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি বিস্ময়কর আবিস্কার। যাকে এই মুহূর্তে কোনও কিছু ভাবা অসম্ভব। আর এই কম্পিউটার শুধু যে কাজ করার জন্য ব্যবহৃত তা কিন্তু নয়। অনেকে কম্পিউটারের সামনে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিচ্ছে। কেউ অফিসিয়াল কাজ, কেউ ইন্টারনেট ব্রাউজিং করে কেউ বা বিনোদনের মাধ্যমে সময় পার করছেন। কিন্তু আপনি জানেন কি এই কম্পিউটারের সামনে তিন থেকে চার ঘন্টার বেশি বসে থাকলে তাদের জন্যে অপেক্ষা করে আছে এক ভয়ানক অসুখ। মূলত অনেকে তিন চার ঘণ্টার বেশী সময় কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে পেশাগত বা অন্যকোন কারণে সময় কাটান তাদের মধ্যে মহামারির মতো ছড়াচ্ছে কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম। যা চোখের নানা ধরনের রোগের কারণ।

সম্প্রতি মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড রিভিউ নামের এক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে প্রতিবেদন যেখানে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন,বিশ্বব্যাপী সাত কোটি কর্মী কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোমের ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। এই ঝুঁকিতে থাকা লোকদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাকাউন্ট্যান্ট, ব্যাংক কর্মী, ইঞ্জিনিয়ার, গ্রাফিক শিল্পী, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, সচিবসহ অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীরা। এছাড়াও বিশ্বের কোটি কোটি শিশু ও কিশোর ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিটারের সামনে বসে গেমস খেলে তারাও এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনার মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছে।

এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করলে চোখ ড্রাই হয়ে যায়। এতে করে চোখ জ্বালা করা, চোখে চুলকানি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ পিটপিট করার মতো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেখা দেয়। এতে তো দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি হয়ই। পাশাপাশি এর প্রভাবে নার্ভের সমস্যাও দেখা দেয়। তাই সাধারণত দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে থাকেন তাদের মাথাব্যথা, পেশির ব্যথা, ঘাড়ে–পিঠে ব্যথা ইত্যাদিতে ভোগতে হয়। এই ঝুঁকিতে থেকে বাঁচতে সমাধানও বাতলে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তা হলো ‘২০–২০–২০‘ অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট কম্পিউটারে কাজ করার পর ২০ সেকেন্ড চোখকে বিশ্রামে রাখতে হবে এবং ২০ ফিট দূরের কোনো বস্তুর কিছু সময়ের জন্য তাকিয়ে থাকবে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.