বহু বছর একসঙ্গে থাকার পরে সম্পর্কে ইতি টেনেছিলেন রাহুল তথা অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রিয়ঙ্কা সরকার। কিন্তু সেই শেষটা মোটেই সুখের ছিল না। বেশ তিক্ততার সঙ্গেই সম্পর্ক শেষ করেছিলেন এই তারকা জুটি। এমনকী গত বছর মে মাসে রাহুলের বিরুদ্ধে পারিবারিক হিংসার অভিযোগও আনেন প্রিয়ঙ্কা। সেই মামলাতেই আবার নতুন করে জটিলতা বেড়ে চলেছে।

জানা গিয়েছে, মামলার শুনানিতে নিয়মিত উপস্থিত থাকছেন না রাহুল। আর তাতেই রাহুলের বিরুদ্ধে প্রিয়ঙ্কার তরফ থেকে নতুন করে অভিযোগ তৈরি হয়েছে। ১৬ টি শুনানির মধ্যে মাত্র ৭-৮টি শুনানিতে উপস্থিথ ছিলেন রাহুল। গত শুক্রবারও শুনানিতে অনুপস্থিত ছিলেন রাহুল ও তাঁর আইনজীবী।

আদালতে উপস্থিত না থাকা প্রসঙ্গে রাহুল এক সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, আমায় হাজিরা দিতে বলা হলেই উপস্থিত থেকেছি। শুক্রবার শ্যুটিং-এর চাপ ছিল। পরের দিন অবশ্যই যাব।

রাহুল আরও জানিয়েছেন, হাজিরা না দিয়ে পালিয়ে বাঁচার কোনও অর্থ হয় না। মূলত খুব গুরুত্বপূর্ণ শ্যুটিং থাকার ফলেই এই শুনানিতে উপস্থিত থাকা সম্ভব হয়নি।

প্রিয়ঙ্কার আইনজীবী স্মিতেশ চট্টোপাধ্যায় সেই সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, রাহুলের বিরুদ্ধের প্রিয়ঙ্কা পারিবারিক হিংসার অভিযোগ দায়ের করেছেন। প্রিয়ঙ্কা ও সহজের জন্য মাসে ৪ লক্ষ টাকা করে চাওয়া হয়। অন্যদিকে রাহুলও প্রিয়ঙ্কার উপস্থিতিকে সহজের সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে মামলা করেছিলেন। এই সংক্রান্তই গুরুত্বপূর্ণ শুনানি ছিল শুক্রবার। কিন্তু সেইদিন রাহুল অনুপস্থিত ছিলেন। আদালত বিষয়টিকে ভাল ভাবে দেখছেন না।

শুক্রবার উপস্থিত না থাকতে পারলেও, মাত্র ৭-৮টি শুনানিতে উপস্থিত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন রাহুল।

প্রসঙ্গত, চিরদিনই তুমি যে আমার (২০০৮) ছবি থেকে সম্পর্ক শুরু হয় রাহুল ও প্রিয়ঙ্কার। তার পরে প্রেম ও বিয়ে। কিন্তু তার পরে ভাটা আসে সম্পর্কে। শুধু আলাদা হয়ে যাওয়াই নয়। বিচ্ছেদ ঘিরে পরস্পরের মধ্যে জটিলতাও তৈরি হয়। বলা বাহুল্য, এই জটিলতা ক্রমশ তিক্ত হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.