স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: চিকিৎসার গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে সোমবার সকালে উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহার এমজেএন হাসপাতালে (মহারাজা জিতেন্দ্র নারায়ন)। ঘটনার প্রতিবাদে মৃতার পরিজনেরা হাসপাতাল ভাঙচুর করেন৷ মারধর করা হয় লিফট ম্যানকে৷ খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, নার্স ও আয়াদের গাফিলতিতেই মৃত্যু হয়েছে। সদ্যজাতর অবস্থাও আশংকাজনক।

প্রসব যন্ত্রনা নিয়ে রবিবার রাত আটটা নাগাদ কোচবিহার এমজেএন হাসপাতালে ভর্তি হন টাকাগাছের বাসিন্দা শেফালি বর্মন। রাতের দিকে প্রসব বেদনা উঠলেও আয়ারা কোনও গুরুত্বই দেয়নি বলে অভিযোগ। এমনকি আজ ভোরেও শেফালিকে লেবার রুমে নিয়ে যাওয়া হয়নি। এর পর বেডেই প্রসব করেন শেফালি। এরপরই প্রসূতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে দেখে নার্স ও আয়ারা তাঁকে আইসিইউতে নিয়ে যায়৷ যদিও কয়েক মিনিটের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন শেফালি৷ সদ্যজাত শিশুটির অবস্থাও আশংকাজনক৷ এনএনসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে তাকে।

শেফালির পরিজনদের অভিযোগ, সঠিক সময়ে শেফালিকে লেবার রুমে নিয়ে যাওয়া হলে এই অঘটন এড়ানো যেত৷ মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজিত মৃতার পরিজনেরা হাসপাতালের লেবার ইউনিট ও আইসিইউতে ভাঙচুর করেন। মারধর করা হয় হাসপাতালের লিফটম্যানকেও। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এবিষয়ে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার স্বপন সরকার জানিছেন, ঘটনার তদন্ত করা হবে।