স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া : বিজেপিতে যোগদানের দিনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মুকুল রায়৷ তাঁর আশঙ্কাই কি তাহলে এবার সত্যি হল? তৃণমূলের দলত্যাগী সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই মুকুল বলেন ‘সৌমিত্র যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলা হবে। ওর সঙ্গীদের গ্রেফতার করা হবে। সৌমিত্রর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হবে।’

তবে সেই আশঙ্কাকে সত্যি করে ‘দলত্যাগী’ সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এর নামে বড়জোড়া থানায় চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করলেন এক তৃণমূল কর্মী। সম্পর্কে তিনি সৌমিত্র খাঁয়ের পিসতুতো ভাই প্রশান্ত মণ্ডল বলে দাবি করেছেন৷ তিনি শুক্রবার বাঁকুড়ার বড়জোড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

আরও পড়ুন : মায়াবতী প্রসঙ্গে: ‘উত্তরপ্রদেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী হলে খুশি হব’ জানালেন অখিলেশ

বড়জোড়ার মালিয়াড়া গ্রামের বাসিন্দা প্রশান্ত মণ্ডলকে চাকরি করে দেওয়ার নাম করে সৌমিত্র খাঁ বেশ কিছু টাকা নেন বলে অভিযোগ। যদিও ঐ ব্যক্তি চাকরি পাননি। পরে শুক্রবার সম্পর্কিত দাদা অর্থাৎ সৌমিত্র খাঁর বিরুদ্ধে বড়জোড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন বলে জানা গিয়েছে৷

অভিযোগকারী প্রশান্ত মণ্ডল ঠিক কি কারণে এই সাংসদের নামে থানায় অভিযোগ করলেন তা সংবাদমাধ্যমকে বলতে অস্বীকার করেছেন। তৃণমূল নেতা সুখেন বিদ বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। একটা কেন ওনার নামে আরো অভিযোগ শুনতে পাবেন।’

আরও পড়ুন : মায়াবতী-অখিলেশ জোটকে স্বাগত জানালেন মমতা

যদিও বিজেপির তরফে সৌমিত্র খাঁয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা অরূপ দে বলেন, ‘তৃণমূলের দুর্নীতি, নোংরামির কারণে সৌমিত্র খাঁ আমাদের দলে এসেছেন। তাই বিজেপি ও সাংসদের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এই চক্রান্ত’৷

তবে ‘অভিযুক্ত’ সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তাই তার প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।