স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মে মাসে বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান৷ ধুমধাম করে যখন বিয়ের তোড়জোড় চলছে নেতাজি সুভাষ নগর কলোনির দাস বাড়িতে, ঠিক সেই সময়ে একটা ফোনেই তাল কাটল সব আনন্দে৷ আনন্দের রেশ যেন আচমকা থমকে গেল একটা বাক্যে৷ ‘এই বিয়ে আর সম্ভব নয়৷’

হ্যাঁ, ঠিক এমনটাই ঘটেছে বলে দাবি করেছেন পাত্রীর বাবা৷ অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে পাত্রপক্ষ৷ শুধু তাই নয়, আশীর্বাদ পর্যন্ত হয়ে গিয়েছিল ওই পাত্রীর৷ আগামী মাসের ১২ তারিখ বিয়ের কথা ছিল মেয়েটির৷ সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রায় সব আয়োজনই সম্পূর্ণ করেছিল মেয়েটির পরিবার৷ কিন্তু আচমকা বিয়ে নাকচের ঘটনায় হতভম্ব হয়ে গিয়েছেন তাঁরা৷ তাঁদের দাবি, পাত্রপক্ষের কাছ থেকে কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি৷

আরও পড়ুন: লালগোলা থেকে জালে মাদক পাচারকারী

এই ঘটনায় প্রদীপবাবু আনন্দপুর থানায় সাত জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন৷ অভিযুক্তদের সঞ্জীব রায়, সুখরঞ্জন রায়, সবিতা রায়, সুজিত মণ্ডল, রিম্পা মণ্ডল ও চম্পা দাস-সহ অন্যান্য৷

পাত্রীর বাবা জানিয়েছেন, এই আনুষ্ঠানিক নিয়মরীতিতে প্রায় ২ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে তাঁর৷ পাশাপাশি সোনার গয়নাও আশীর্বাদ স্বরূপ দেওয়া হয়েছিল পাত্রকে৷ এই সব মিলিয়ে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণের কথা বলেছেন তিনি৷ এখন পাত্রীর বাবার চিন্তা সমাজ যতই উন্নত হোক, এমন কলঙ্ক সমাজের কাছে এখনও চর্চিত বিষয়৷ তাই ভবিষ্যতে মেয়ের বিয়ে নিয়ে তিনি চিন্তিত৷ তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷

আরও পড়ুন: বরানগরে জাল নোট চক্রের হদিশ, গ্রেফতার ২