নিউইয়র্ক : করোনার প্রভাবে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম কমতে থাকায় উত্তর আমেরিকায় বেড়ে চলেছে দেউলিয়া হয়ে পড়া তেল প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। এই সংখ্যা বাড়ার হার ২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত চলতে থাকবে বলে জানিয়েছে টেক্সাসভিত্তিক বাণিজ্যিক আইন সহায়তা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান হ্যানয়স অ্যান্ড বুন।

করোনা মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়লে বছরের প্রথম প্রান্তিকের শেষে জ্বালানি তেলের যে দামে যে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়, সেই ধাক্কা নিয়ে শুরু হয় বছরের দ্বিতীয় অংশ। এতে বাড়তে থাকে উত্তর আমেরিকার তেল-গ্যাস খাতে দেউলিয়া হয়ে পড়া কোম্পানির সংখ্যা।

হ্যানয়স অ্যান্ড বুন’র হিসাব বলছে, দ্বিতীয় অর্ধে অন্তত ১৮টি কোম্পানি দেউলিয়া হয়েছে। তেলের দাম কমার কারণে ২০১৬ সালের পর কোন এক প্রান্তিকে উত্তর আমেরিকায় দেউলিয়া হওয়া কোম্পানির সংখ্যা এটাই সর্বোচ্চ। এরইমধ্যে একই পথে হাঁটা তেল উৎপাদনকারী ও তেলক্ষেত্রে কাজ করা ৪১টি কোম্পানি দেউলিয়াত্ব থেকে সুরক্ষা পেতে আবেদন করেছে। অবশ্য এসব কোম্পানির আশা ছিলো ২০২০ সালে তারা তেলের ভালো দাম পাবে। কিন্তু এ বছরের যে অবস্থা তাতে তাদের কিছুই করার নেই।

এমনকি বর্তমানের প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলে দাম ৪০ ডলার থেকে বাড়লেও ঋণে জর্জরিত এসব কোম্পানির ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য তা যথেষ্ট হবে না। নরওয়েভিত্তিক জ্বালানি খাতের গবেষণা ও ব্যবসায়িক পরামর্শদাতা কোম্পানি রিসতাদ এনার্জি গেল এপ্রিলেই সতর্ক করেছিল জ্বালানি খাতের বিশেষ করে আমেরিকার ৫৩০টি তেল কোম্পানির বিষয়ে। পূর্বাভাস ছিলো, দেউলিয়ার খাতায় নাম লেখাবে অনেক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ