লন্ডন : রাতে চুটিয়ে পার্টি করেছেন৷ বন্ধুদের নিয়েই মত্ত ছিলেন মাঝরাত অবধি৷ পেগের পর পেগ গলায় পড়েছে৷ হুইস্কি, ব্র্যান্ডির সঙ্গে ডিয়ার বিয়ারও বাদ যায়নি৷ অ্যালকোহলের সঙ্গে চলেছে দেদার হুক্কা ও ধূমপান৷ মোট কথা পরের দিন সকালে গুছিয়ে হ্যাংওভার৷ কেউ বিছানা থেকে মাথা তুলতে বলা মানে তার সঙ্গে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঘোষণা হয়ে যাবে৷

কিন্তু এমন সময় যদি অফিসের বসের ক্রিং ক্রিং বাজে? তাহলে? তাকে তো আর ভালোমন্দ বলা যায় না? তখন সেই অবস্থাতেই আধঘণ্টা শাওয়ারের তলায় দাঁড়িয়ে আধা টলতে টলতে পা বাড়াতে হয় অফিসের দিকে৷ কিন্তু সেই দিনের ইতি৷ এবার হ্যাংওভার হলে আপনার ছুটি৷ অফিস? নৈব নৈব চ৷

আরও পড়ুন: ভয়ঙ্কর ব্রহ্মপুত্রের উপর এই ব্রিজ তৈরি করাটা কতটা চ্যালেঞ্জের ছিল? দেখুন VDO

তবে এদেশে নয়৷ সুখবরটি ব্রিটেনের জন্য৷ সেখানকার একটি ব্রিটিশ কোম্পানি তার কর্মীদের জন্য এমনই একটি ফাটাফাটি নিয়ম এনেছে৷ কোম্পানির নাম DICE৷ হ্যাংওভার হলে তাদের আর যেতে হবে না অফিস৷ শুধু ইমোজি দিয়ে একটা মেসেজ৷ ব্যাস৷ বাকি দিনটা যত ইচ্ছা গড়াগড়ি খান৷

ভাবছেন হ্যাংওভারের ইমোজি? সেও কি খুঁজে পাওয়া যাবে? নো প্রবলেম৷ মিউজিক, বিয়ার বা অসুস্থতার ইমোজি দিয়েই সারতে পারেন এই কাজ৷ অফিস বুঝে নেবে৷

কোম্পানির তরফ থেকে এনিয়ে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, এবার আর কর্মীদের হ্যাংওভার কাটানোর জন্য বসকে মিথ্যে কথা বলতে হবে না৷ প্ল্যান করে বলে হবে না, “স্যার, আজ অফিস যেতে পারব না৷ অসুস্থ৷” অফিসে এবার সত্যি কথা বলাই যাবে৷

DICE-এর প্রতিষ্ঠাতা ফিল হাচিওন জানিয়েছেন, কখনও কখনও এমন কোনও ঘটনার পরই সেরা কাজটা বেরিয়ে আসে৷ “আমাদের একে অপরের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত৷ মিথ্যে অসুস্থতার ভান করার দরকার নেই৷”

আরও পড়ুন: বাইকপ্রেমীদের জন্যে দারুণ খবর! এক ধাক্কায় অনেকটাই কমছে দাম

তবে এর মানে কিন্তু এই নয় চাইলেই হ্যাংওভারের জন্য ছুটি পাওয়া যাবে৷ ক্যাজুয়াল লিভ ও মেডিক্যাল লিভের মতো এটিও সীমিত৷ বছরে কয়েকটিই মাত্র “হ্যাংওভার লিভ” পাওয়া যাবে৷ তাই বা মন্দ কি?