নয়াদিল্লি : অবশেষে গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা স্বীকার করল কেন্দ্র। রবিবার এক বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বলেন দেশের কিছু জেলায় গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন দেশের মধ্যে কিছু এলাকায় গোষ্ঠী সংক্রমণের খবর মিলেছে।

পশ্চিমবঙ্গও দিন কয়েক আগে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন পশ্চিমবঙ্গে গোষ্ঠী সংক্রমণের খবর মিলেছে। তেমনই দেশের কয়েকটি রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় গোষ্ঠী সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে।

তবে গোটা দেশে সব জায়গায় এই পরিস্থিতি নয়। তাই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে উল্লেখ্য এই প্রথম কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের কথা স্বীকার করে নেওয়া হল। দিন কয়েক আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে ছিলেন তাঁর আশঙ্কার কথা।

তিনি বলেন ‘‘কেউ স্বীকার করুক আর নাই করুক। সংক্রমণ হাওয়া থেকে ছড়াচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছে।’’ পুজোর মুখে ভয়াবহ আশঙ্কার কথা শোনান মুখ্যমন্ত্রী। শারদোৎসব শুরুর আগেই বাংলায় করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানান তিনি।

মমতা বলেন, ‘‘প্রত্যেককে ভীষণ সতর্ক থাকতে হবে। সবাইকে বলছি, উৎসবের মরশুমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। পশ্চিমবঙ্গে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে।’’

নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘‘করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। প্রত্যেকে মাস্ক পরুন। সংক্রমণ আটকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। পুজো প্যান্ডেলে যাওয়ার সময় মাস্ক পরুন। সতর্কতামূলক প্রচার করতে হবে পুজো কমিটিকে। মাস্ক না পরলে প্যান্ডেলে ঢুকতে দেবেন না। প্রয়োজনে প্যান্ডেলে ঢোকার সময় স্যানিটাইজার, মাস্ক দিন।’’

প্রথমে অস্বীকার করলেও, কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাকেই মান্যতা দিল কেন্দ্র। এদিকে, করোনা পরিস্থিতির জেরে এবছর কোভিড চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের পুজোয় ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

পুজোর সময় নবান্ন ও স্বাস্থ্য ভবনে ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন ও চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশে ক্রমে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণ। শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হলেন ৬১ হাজার ৮৭১ জন।

এই সময়ের মধ্যে আরও মৃত্যু হয়েছে ১০৩৩ জনের। দেশে নতুন সংক্রমণের জেরে মোট আক্রান্তের পরিসংখ্যান দাঁড়িয়েছে ৭৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৫২ জন।

এরমধ্যে আক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩১১। সুস্থ হয়ে উঠেছে মোট ৬৫ লক্ষ ৯৭ হাজার ২১০ জন। মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ায় এখন অবধি দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৩০১।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।