সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : লকডাউনের কথা এখনও না বলা হলেও ইঙ্গিত সেটাই দিচ্ছে। লকডাউন সমস্যার সমাধান করবে না কিন্তু সংক্রমণের চেন ভাঙতে তা সাহায্য করবে। কমানো হয়েছে পরিবহন। অনেকেই সমস্যায় মধ্যে পড়েছেন। পেটে টান পড়ছে। খাবে কী মানুষ? এমত অবস্থায় এগিয়ে এসেছে ওরা। খুলেছে কমিউনিটি কিচেন। অনলাইনে গান গেয়ে, নৃত্য পরিবেশনের মতো বিভিন্ন বিনোদনমূলক কনসার্ট করে যে অর্থ সংগ্রহ হচ্ছে তা দিয়েই বহু মানুষের খাদ্য সমস্যার হাল হয়ে উঠেছে ওঁরা।

ওরা জানাচ্ছে, কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ নেই। সে সব ছাড়াই প্রায় এক বছর ধরে মানুষের খাবার সমস্যার হাল হয়ে উঠেছে জয়রাজ, অর্ক, শ্রাবন্তী, মধুরিমারা। লকডাউনের ভ্রূকুটির মাঝে আরও সক্রিয় হয়ে কাজ করার চেষ্টা করছে ওরা। গতবছর অতিমারী, লকডাউন এবং আম্ফান এই তিন বিপর্যয়ের মাঝেই শুরু করা হয়েছিল হাওড়ার পি এম বস্তি কমিউনিটি কিচেন। মানুষের স্বার্থে মানুষেরাই চালু করেছিলেন। হাওড়ার পি এম বস্তি, চড়া বস্তির মানুষেরা যেমন ছিলেন তেমনি তাদের বন্ধু হিসাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে জয়রাজ, অর্ক, শ্রাবন্তী, মধুরিমা, অনির্বাণ ভট্টাচার্য,সাত্যকিরা। ওরা জানাচ্ছেন, ‘আমাদের শুভ উদ্যেগে সাহায্য করছে বিভিন্ন প্রান্তে থাকা চেনা-অচেনা বন্ধুও।’

সংগঠনের পক্ষে জানানো হয়েছে, ‘কিচেনে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ বিনামূল্যে খাবার পাচ্ছিলেন। কিন্তু মানুষের প্রয়োজনে এই ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদী রূপ দিতে ‘কিচেন’কে “ক্যান্টিন” করা হয়। যা ২৬৪ দিন অতিক্রম করে এসেছে। বারবার এই ক্যান্টিন চালাতে তিতুমীর কালেক্টিভ, জয়রাজ, অর্ক, শ্রাবন্তী, মধুরিমা, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, সাত্যকি, বর্ণ অনন্য ও বন্ধুরা অনলাইন অফলাইন কনসার্ট করেছে। অর্থ তুলে এনেছে। এই ক্যান্টিনের সঙ্গে কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের সংযোগ নেই। কোনো রাজনৈতিক দলের অর্থে এই কাজ চলেনা।
“বুলন্দ ইরাদেঁ”, “বাঁচার জন্য নাচা” এই কনসার্ট গুলি ফান্ড রেজার কনসার্ট হিসেবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। হচ্ছে।’

তারা জানিয়েছে, ‘আগামী ৮মে রাত ৮টায় আবার একটি অনলাইন কনসার্ট, “বাঁচার জন্য নাচা” অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পারফর্ম করবেন শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য। অর্থ দিয়ে করা হবে খাবারের জোগাড়’।

লকডাউনের কথা এখনও না বলা হলেও ইঙ্গিত সেটাই দিচ্ছে। লকডাউন সমস্যার সমাধান করবে না কিন্তু সংক্রমণের চেন ভাঙতে তা সাহায্য করবে। কমানো হয়েছে পরিবহন। অনেকেই সমস্যায় মধ্যে পড়েছেন। পেটে টান পড়ছে। খাবে কী মানুষ? এমত অবস্থায় এগিয়ে এসেছে ওরা। খুলেছে কমিউনিটি কিচেন। অনলাইনে গান গেয়ে, নৃত্য পরিবেশনের মতো বিভিন্ন বিনোদনমূলক কনসার্ট করে যে অর্থ সংগ্রহ হচ্ছে তা দিয়েই বহু মানুষের খাদ্য সমস্যার হাল হয়ে উঠেছে ওঁরা।

ওরা জানাচ্ছে, কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ নেই। সে সব ছাড়াই প্রায় এক বছর ধরে মানুষের খাবার সমস্যার হাল হয়ে উঠেছে জয়রাজ, অর্ক, শ্রাবন্তী, মধুরিমারা। লকডাউনের ভ্রূকুটির মাঝে আরও সক্রিয় হয়ে কাজ করার চেষ্টা করছে ওরা। গতবছর অতিমারী, লকডাউন এবং আম্ফান এই তিন বিপর্যয়ের মাঝেই শুরু করা হয়েছিল হাওড়ার পি এম বস্তি কমিউনিটি কিচেন। মানুষের স্বার্থে মানুষেরাই চালু করেছিলেন। হাওড়ার পি এম বস্তি, চড়া বস্তির মানুষেরা যেমন ছিলেন তেমনি তাদের বন্ধু হিসাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে জয়রাজ, অর্ক, শ্রাবন্তী, মধুরিমা, অনির্বাণ ভট্টাচার্য,সাত্যকিরা। ওরা জানাচ্ছেন, ‘আমাদের শুভ উদ্যেগে সাহায্য করছে বিভিন্ন প্রান্তে থাকা চেনা-অচেনা বন্ধুও।’

সংগঠনের পক্ষে জানানো হয়েছে, ‘কিচেনে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ বিনামূল্যে খাবার পাচ্ছিলেন। কিন্তু মানুষের প্রয়োজনে এই ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদী রূপ দিতে ‘কিচেন’কে “ক্যান্টিন” করা হয়। যা ২৬৪ দিন অতিক্রম করে এসেছে। বারবার এই ক্যান্টিন চালাতে তিতুমীর কালেক্টিভ, জয়রাজ, অর্ক, শ্রাবন্তী, মধুরিমা, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, সাত্যকি, বর্ণ অনন্য ও বন্ধুরা অনলাইন অফলাইন কনসার্ট করেছে। অর্থ তুলে এনেছে। এই ক্যান্টিনের সঙ্গে কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের সংযোগ নেই। কোনো রাজনৈতিক দলের অর্থে এই কাজ চলেনা।
“বুলন্দ ইরাদেঁ”, “বাঁচার জন্য নাচা” এই কনসার্ট গুলি ফান্ড রেজার কনসার্ট হিসেবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। হচ্ছে।’

তারা জানিয়েছে, ‘আগামী ৮মে রাত ৮টায় আবার একটি অনলাইন কনসার্ট, “বাঁচার জন্য নাচা” অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পারফর্ম করবেন শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য। অর্থ দিয়ে করা হবে খাবারের জোগাড়’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.