মালদহ: চায়ের ঠেকে আড্ডা মেরে শুরু করেছিলেন লোকসভা ভোটের প্রচার৷ তারপর সাইকেলে চেপে পৌঁছে গিয়েছিলেন ভুতনি দ্বীপের মানুষের কাছে৷ সেখানে বিরোধীদের প্রসঙ্গে একটা কথাও বললেন না দক্ষিণ মালদহের তৃণমূল প্রার্থী ডঃ মোয়াজ্জেম হোসেন৷ বরং তিনি বলেন, ‘‘এখন শিরে সংক্রান্তি, এখন প্রচার ছাড়া মাথায় কিছুই নেই’’৷

উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী থেকে দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীরা নিজ নিজ কেন্দ্রে প্রচারে ঝড় তুলেছেন। দক্ষিণ মালদহর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন ফের সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেলে চেপে ভোট প্রচার সারলেন৷ প্রচারে তিনি হাতিয়ার করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন৷

তিনি বলেন, ‘‘দিদির উন্নয়নই প্রচারের মূল হাতিয়ার। সাধারণ মানুষও দিদির উন্নয়নটা বুঝেছে। তাই প্রচারে যেখানেই যাচ্ছি ভালো সাড়া পাচ্ছি। ভোটে জয়ী হলে অবশ্যই আরও কাজ হবে।’’প্রচারের শুরুতেই তিনি বলে ছিলেন, ‘‘এবারের নির্বাচনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের ঝড়ে গনি খানের মিথ ফিকে হয়ে গিয়েছে মালদহে৷ ফলে জেলার দুটি আসনেই জয় পাবে তৃণমূল কংগ্রেস৷’’

তাঁর এই দিদির উন্নয়নের শুর ভুতনি দ্বীপেও ছিল৷ সেখানেও তিনি বলেছিলেন, ‘‘মানিকচকের ভুতনি দিয়ারার তিনটি অঞ্চল উত্তর ও দক্ষিণ চন্ডিপুর এবং হিরনন্দপুর কৃষি প্রধান এলাকা। মুখ্যমন্ত্রীর এই ভুতনি ব্রিজের মাধ্যমে ভুতনি দ্বীপের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ করতে চলেছে। গ্রামের সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে প্রতিবার কয়েক হাজার ভোট পাওয়া যায়৷ সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা গ্রামের মানুষের কাছে প্রচারে যাচ্ছি। ভালো সাড়া পাচ্ছি।’’

যদিও বা পিছিয়ে নেই উত্তর মালদহর লোকসভা কেন্দ্রের বাম প্রার্থী বিশ্বনাথ ঘোষও৷ আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামে শ্রমজীবী, কৃষিজীবী তথা আদিবাসীদের মাদল ঢোল নিয়ে জনসংযোগ করলেন।
তিনি বলেন,‘‘কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী কাজ ও রাজ্য সরকারের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানুষ এবার সরব হয়েছে। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। মানুষ এবার ভোট বাক্সেই যোগ্য জবাব দেবে বিশ্বাসঘাতকদের।’’