বেঙ্গালুরু: আগে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ‘ট্যাক্সি’ বলে চীৎকার করতে হত। এরপর এল অ্যাপ। মোবাইল স্ক্রিনে একটা টাচেই গেটের সামনে এসে দাঁড়ায় এসি ট্যাক্সি। এবার আরও একধাপ এগিয়ে এল দেশ। এবার উড়বে হেলিকপ্টার ট্যাক্সি। এবার এক ডাকে আপনার ছাদে এসে নামতেই পারে আস্ত হেলিকপ্টার। চলতি বছরেই বেঙ্গালুরুতে এই হেলি-ট্যাক্সি সার্ভিস চালু হয়ে যাবে বলে জানা গিয়েছে।

এই প্রজেক্টে বেঙ্গালুরু ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেডের সঙ্গে কাজ করবে ‘থাম্বি অ্যাভিয়েশন’ নামে এক সংস্থা। জানা গিয়েছে এই হেলি-ট্যাক্সিতে বেঙ্গালুরু থেকে বেঙ্গালুরু ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যাওয়া যাবে। যে রাস্তা যেতে দু’ঘণ্টা লাগত, সেটা এবার মাত্র ১৫ মিনিটেই যাওয়া যাবে হেলিকপ্টারে।

তবে এই সার্ভিস নেওয়া কি সাধারণের সাধ্যের মধ্যে থাকবে? কেন্দ্রের এই হেলি ট্যাক্সি সার্ভিসের মূল্য কম রাখারই চেষ্টা করা হচ্ছে। যাতে সবাই এটা ব্যবহার করতে পারেন। এই রেট ঠিক হয়নি এখনও। তবে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিষেবা মন্ত্রী জয়ন্ত সিনহা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে তিনি আবেদন করেছেন যাতে এসি ক্যাবের দামেই এই সার্ভিস নেওয়া যায়। এতে চাহিদা বাড়বে বলেই মনে করছেন তিনি। আর রেট হবে স্থির। অনুমান করা হচ্ছে প্রত্যেক ৬০,০০০ জনের মধ্যে ১০০ জন প্রত্যেকদিন এই সার্ভিস নেবেন।

আরও জানা গিয়েছে বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে ৯০টি হেলিপ্যাড রয়েছে ছাদে। আরও বেশ কয়েকটি তৈরি করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।