নিজস্ব সংবাদদাতা: মুম্বইয়ের নিম্ন আদালত থেকে জামিন পেলেন টেলিভিশন কৌতুক অভিনেতা ভারতী সিংহ এবং তাঁর অভিনেতা তথা স্ক্রিপ্ট লেখক স্বামী হর্ষ লিম্বাচিয়া।

ভারতী এবং হর্ষের বাড়ি ও প্রোডাকশন অফিস থেকে প্রায় ৮৬.৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারের পরে গত শনিবার তাঁদের গ্রেফতার করেছিল নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুর (এনসিবি)। ওই দিনই তাঁদের আদালতে তোলা হলে আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। এর মধ্যেই গত রবিবার তাঁদের জামিনের আবেদন করেন ভারতীদের আইনজীবী। সেই আবেদনের শুনানিতেই জামিন দেওয়া হয়েছে সোমবার।

অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকেই মাদক তদন্তে সক্রিয় রয়েছে এনসিবি। একের পর এক মামলায় সিনে-দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত একাধিক জনকে গ্রেফতার করেছে তারা। বহু অভিনেতা-অভিনেত্রীর মাদক-বয়ান আবার বলিউডের অন্য অনেককেই অস্বস্তিতে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতীদের আইনজীবী আয়াজ খান আদালতে দাবি করেন, “এটি কোনও মাদক বিক্রির মামলা নয়। মাদক-চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার কোনও প্রমাণও এখানে নেই। যে পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয়েছে তা ১ কিলোগ্রামের চেয়েও কম। এর জন্য কারও জামিন পাওয়ার অধিকার অস্বীকার করা যায় না।”

বস্তুত ১ কিলোগ্রাম বা তার কম ওজনের গাঁজা কারও থেকে উদ্ধার করা হলে তা ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তা প্রমাণ করা শক্ত। ২০ কিলোগ্রাম বা তার বেশি ওজনের গাঁজাই কমার্শিয়াল কোয়ান্টিটি বা বিক্রয়যোগ্য হিসেবে গণ্য হয়। ১ কিলোগ্রাম বা তার কম গাঁজা-সহ কেউ গ্রেফতার হলে এবং পরে দোষী প্রমাণিত হলে ১ বছর হাজতবাসের সাজা হতে পারে। জরিমানা হতে পারে ১০ হাজার টাকা। বহু ক্ষেত্রে আবার জরিমানা বা হাজতবাস দু’ই হতে পারে। তবে কমার্শিয়াল কোয়ান্টিটি মাদক-সহ কেউ গ্রেফতার হলে ২০ বছরের হাজতবাসের সাজা শোনাতে পারে আদালত। সওয়াল-জবাব শুনে ভারতীদের জামিন দেওয়ারই সিদ্ধান্ত নেন বিচারক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।