যুগ যত এগোচ্ছে মানুষের রোগ তত যেন বাড়ছে। তুলনামূলক কম বয়সে মানুষের মধ্যে কোলন ক্যান্সারের হার দিনের পর দিন অদ্ভুতভাবে বাড়ছে। এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে তরুণদের মধ্যে কোলন ক্যান্সার শনাক্ত হওয়ার হার ক্রমশই বেড়েছে এবং এত দ্রুতগতিতে এটা ঘটে চলেছে যে বিজ্ঞানীরাও বিস্মিত হয়ে পড়েছেন। এক

গবেষণায় দেখা যায় যে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্ক তরুণদের মধ্যে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার গড় বয়স আস্তে আস্তে আরো কমছে। এই গবেষকদের কাছে এই রিপোর্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। এর কারণ হলো যে এটি যে শুধু বর্তমানের ক্যান্সার পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে তাই নয়, ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও আমাদের এর সঙ্গে যুক্ত ধারণা দিতে সক্ষম।

প্রাপ্তবয়স্ক তরুণদের মধ্যে কোলন ক্যান্সার শনাক্ত হওয়ার হার বাড়তে থাকলে তাদের সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা ও সেই ক্ষেত্রে শারীরিক ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ডাক্তাররা আবার এক নতুন ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন। যে বিষয়গুলি এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে সেগুলো হল:

১. খাদ্যাভ্যাস- আজকাল খাবারের মধ্যে তরুণ প্রজন্ম ফল বা শাক-সব্জি খুবই কম খায় ও অতিরিক্ত মাংস খেয়ে থাকে। এর পাশাপাশি আবার খাদ্য তালিকায় ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারের স্বল্পতা থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।

আরো পোস্ট- পায়ের কালো দাগ নির্মূলে এগুলি পড়ুন, অন্যের নজর কাড়বেই

২. ব্যায়াম- সকলের কাছেই বাড়ি ও অফিসের জন্যে সময় এতো কম যে সেখান থেকে বেরিয়ে নিজের জন্যে কিছু করার কথা ভাবার সময়ও খুব অল্প পাওয়া যায়। ফলে সুস্থতার জন্যে ব্যায়াম বা যোগাসন কিছুই সেরকমভাবে তারা করতে পারে না। যথেষ্ট শারীরিক পরিশ্রম না করা হলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

৩. মদ্যপান ও ধূমপান- অফিস ও বাড়ির অতিরিক্ত মানসিক চাপ অনেকেই সামলাতে পারে না। সেক্ষেত্রে সাময়িক শান্তির জন্যে মদ্যপান ও ধূমপান করতে থাকে তারা। এতে এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে তারা। কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

৪. ওজন- অনেকেই ওবেসিটিতে ভোগে ছোট থেকেই। অতিরিক্ত ওজন যাদের রয়েছে, তাদের মধ্যে এই ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.