স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: ফের অনুব্রত মণ্ডলের জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উঠল। গোষ্ঠীসংঘর্ষের জেরে এদিন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বীরভূমের সদাইপুর থানার তৌরুগরীহাট গ্রাম। ভিন্ন দুই জায়গার স্থানীয় তৃণমূল নেতার অনুগামী শেখ গরীব ও শেখ ইমলাক৷ দুজনেই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে৷ এলাকায় চলে ব্যাপক বোমাবাজি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

আরও পড়ুন: সোনিয়া নন, রাজীবের বউ হিসাবে রাজ কাপুরের মেয়েকে চেয়েছিলেন ইন্দিরা

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , রবিবার সকালে তৃণমূলের দুবরাজপুর ব্লক সভাপতি ভোলানাথ মিত্রের নির্দেশে তার অনুগামীরা নিজেদের সমর্থক প্রমাণ করার জন্য বাড়ি বাড়ি সই করতে বেরিয়েছিল শেখ গরীব। হঠাৎই সেই সময় সিউড়ি ১ নং ব্লক সভাপতি স্বর্ণময় সিংহের অনুগামী শেখ ইমলাক দলবল নিয়ে তাদের উপর হামলা করে৷ ব্যাপক বোমাবাজি করা হয় শেখ গরীবের লোকজনকে লক্ষ্য করে। বোমাবাজি করা হয় শেখ গরীবের বাড়িতেও। এই ঘটনায় আহত হয়েছে দুই তৃণমূল কর্মী।

শেখ গরিবের কথায় আমরাই আদি তৃণমূল৷ কিন্তু বর্তমানে এখন আমাদেরকে ভুলে যাচ্ছে স্বর্ণময় সিংহ। আমাদের কথা শোনে না তিনি। নতুন গোষ্ঠী বানিয়েছে স্বর্ণময়৷ সে কারণেই আমরা এখন ভোলানাথের অনুগামী হয়েছি। তার নির্দেশ মেনে সমস্ত কাজ করছি। তার নির্দেশেই গিয়ে ছিলাম সই করাতে৷ কিন্তু আমাদের উপর ব্যাপক বোমাবাজি করা হয়৷ প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয় আমাদের।

অন্যদিকে সেখ ইমলাকের কথায় আমরাই তৃণমূল। শেখ গরীব বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী। জোর করে বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিল সই করাতে। সাধারণ মানুষ সই না করায় বোম মেরে ভয় দেখিয়ে সই করাতে গিয়েছিল তারা। আমরা এই ঘটনার সঙ্গে কোনভাবেই যুক্ত নয়। যদিও তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের পক্ষ থেকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে গুলির আওয়াজ আর শোনা যাবে না: শুভেন্দু