স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: পাত্রপক্ষের দাবি মতো যৌতুক দিতে না পারায় বিয়ে ভেঙে যায় প্রথম বর্ষের ছাত্রীর৷ আর সেই অপমানের হাত থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার পথ বেছে নিল ফুলটুসি রজক নামে ওই ছাত্রী৷ মালদহের মানিকচক কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিল সে৷ শনিবার এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ জেলার মানিকচক থানা এলাকার লাল বাথানি এলাকায়৷

প্রসঙ্গত, গ্রামের ছেলে জিতেন্দ্রনাথ বসাকের সঙ্গে দীর্ঘ চার বছরের সম্পর্ক ছিল ফুলটুসি নামে ওই ছাত্রীর৷ স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে খবর, তাদের দু’জনের প্রেমের সম্পর্ক প্রায় চার বছরের৷ তবে ফুলটুসি এই কথা বাড়িতে জানালে তার পরিবার জিতেন্দ্রর পরিবারকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়৷ সেই প্রস্তাবে রাজিও হয়ে যায় ছেলেটির পরিবার৷ অবশেষে দুই পরিবারের সম্মতি নিয়ে দু’জনের বিয়ের ঠিক হয়৷

কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় অন্য জায়গায়৷ পাত্রপক্ষের দাবি মতো পণ দিতে পারেনি মেয়েটির পরিবার৷ এমনকি এই পণ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বেশ কয়েকবার সমঝোতা বৈঠকও করা হয়৷ তাতেও কোনও লাভ হয় না৷ শেষমেশ পণ দিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে যায় জিতেন্দ্র ও ফুলটুসির৷

মেয়ের বাড়ির দাবি, শনিবার দুপুর একটার সময় ফুলটুসি তার প্রেমিক জিতেন্দ্র নাথ বসাকের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে বলতেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে৷ ফুলটুসির বাবা কার্তিক রজক তার মেয়েকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে পাত্রপক্ষের বিরুদ্ধে মানিকচক থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন৷