নয়াদিল্লি: করোনাকালে (Covid Crisis) যখন দেশের অর্থব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়ছে তখন উচ্চ মুনাফার মুখ দেখল এফএমসিজির শীর্ষস্থানীয় কলগেট-পামোলিভ ইন্ডিয়া (Colgate-Palmolive India)। তাদের ব্যবসায় মুনাফা এক লাফে ৫১.০১ শতাংশ বাড়ল। রিপোর্ট অনুযায়ী মার্চের শেষে লাভ হয়েছে ৩১৪.৬ কোটি টাকা। আর এটি সম্পূর্ণ তাদের পণ্যের বিক্রয়ের উপর নির্ভর করেই। গত বছর জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসে কোম্পানিটি নিট লাভ করেছিল ২০৪.১৫ কোটি।

কলগেট-পামোলিভ ইন্ডিয়া লিমিটেড(Colgate-Palmolive India) একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জনিয়েছে, তাদের সেল বেড়েছে ২০.২ শতাংশ। সুতরাং গত বছরের তুলনায় তাদের লাভের অঙ্ক বেড়েছে ১,২৭৫.০১ কোটি। কলগেট-পামমলাইভের ভারতীয় শাখার পরিচালক রাম রাঘাওয়ান জনিয়েছেন, সংস্থাটির প্রতিটি ক্ষেত্র আমাদের প্রেরণা দেয়। আমাদের কৌশলগত উদ্যোগগুলি কার্যকর করতে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের বিকাশের গতি বজায় রাখতে সহায়তা করছে। আমাদের গতি বজায় রাখতে এই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। বিএসইতে কলগেট-পামোলিভের শেয়ারের দাম ৩.০৭ শতাংশ বেড়ে ১,৬১৫.৩৫ কোটিতে দাঁড়িয়েছে।সংস্থাটি মূলত টুথপেস্ট, টুথপাউডার, মাউথ ওয়াশ, টুথব্রাশ, ডেন্টাল জেল, শাওয়ার জেল, হ্যান্ড ওয়াশ ইত্যাদি তৈরী করে থাকে।

কোভিড পরিস্থিতিতেও কী ভাবে ব্যবসাবাণিজ্য় চালু রেখে দেশের আয় অক্ষুণ্ণ রাখা যায়, তা বিবেচনা করে দেখবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক(Reserve bank Of India), জানিয়েছেন গভর্নর শশীকান্ত দাস। এরপর বর্ষা এলে চাষবাসেও কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি ঘটার সুযোগ তৈরি হবে। আরবিআই-য়ের তরফে অন্তত ২০০ জন বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার কাজ করছেন। দুর্বল ক্ষেত্রগুলিকে চাঙ্গা করার জন্য ব্যাঙ্কগুলো ইনসেনটিভ দেবে। ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে আরবিআই কিছু কিছু সুবিধার কথা ঘোষণা করেছিলেন।

করোনার জেরে বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউন চলছে। সাধারণ মানুষ চাকরি হারাচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জের সামনে এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে দেশ। কিন্তু এই সময়ই শাসক সরকারকে পাওয়া যাচ্ছে না মানুষের পাশে।শনিবার এই মর্মেই কেন্দ্রীয় সরকারকে জোরদার আক্রমণ শানিয়েছেন আরবিআই-এর প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন। এর আগেও তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সওয়াল করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আত্মতুষ্টি এবং নেতৃত্বাহীনতার জেরেই দ্বিতীয় দফায় করোনা নিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.