স্টাফ রিপোর্টার : রবিবারেও অব্যাহত রইল ঠাণ্ডা হাওয়ার প্রভাব। এর জেরে কমল কলকাতার সকালের তাপমাত্রা। যা হচ্ছে তাতে আবহাওয়ার অদ্ভুত আচরনে সমস্যা আরও বাড়ছে বই কমছে না। রাস্তায় কিছুক্ষন হাঁটলে দরদরিয়ে ঘাম, আবার সঙ্গে নাগাড়ে ঠাণ্ডা হাওয়া। বাসে বা গাড়িতে যাতায়াত করলে কাঁচ তুলতে হচ্ছে। দু-চাকায় যাতায়াত করলে রাতের দিকে অন্তত একটা উইন্ড চিটার গায়ে রাখতেই হচ্ছে আম জনতাকে।

রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একলাফে ২৩ থেকে কমে ১৯-এ চলে এসে। মাঝ মার্চে কুড়ির নীচে পারদ যা যথেষ্ট অস্বাভাবিক বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। বাড়িতে থাকলে এখনও পাখা না চালালেও দিব্যি চলে যাচ্ছে ঠাণ্ডা হাওয়ার নয়া আবির্ভাবে। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ব্যাপক কমেছে। ৯৪ থেকে কমে সর্বোচ্চ আর্দ্রতার পরিমাণ নেমে এসেছে ৭১-এ। সর্বনিম্ন আর্দ্রতা ৫৬ শতাংশে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের এক আধিকারিক জানাচ্ছেন, বঙ্গোপসাগরে একটি বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত তো রয়েইছে। তার ফলে বাতাসের উপরিভাগে একটি শুষ্ক ভাব তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি বিহার ও ঝাড়খণ্ড অঞ্চলে নাগাড়ে ঝড়ের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের দিকেও ভালো পরিমাণ ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। এই চতুর্মুখী প্রভাবেই শনিবার সকাল থেকে কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে নাগাড়ে ঝড়ো হাওয়া দিচ্ছে। যা রবিবার সকালেও ঘটমান বর্তমান।