সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: গরমের আবাহনীর মাঝেও উপস্থিত শুকনো হাওয়া। অনেকটাই উত্তুরে শুকনো হাওয়ার ধাঁচে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই বইছে শুকনো বাতাস। অবহবিদরা জানাচ্ছেন, হাওয়া বদলের কারণ হাই প্রেশার জোনের অভাব।

শীত বিদায় নিয়েছে মাস খানেক আগেই। মরশুম প্রায় গ্রীষ্মের দিকে এগিয়ে চলেছে৷ কিন্তু গ্রীষ্মের বাজারে হঠাৎ হাজির হয়েছে শীতকালের বার্তা দেওয়া শুকনো হাওয়া। হঠাৎ এমন আবহাওয়ার পরিবর্তনে বেশ ধন্ধে ফেলেছে অবহবিদদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, হাই প্রেশার জোনের অভাবেই আবহাওয়ার হঠাৎ এই পরিবর্তন বা খামখেয়ালিভাব।

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সকালের দিকে উপস্থিত থাকছে ঠান্ডা আবহাওয়া। বেলা বাড়ার সঙ্গে তাপমাত্রাও বাড়েনি। ৩৬ থেকে নেমে তাপমাত্রা থাকছে ৩৩ এর আশপাশে। কারণ হাইপ্রেসার জোন। কিন্তু কী এই হাইপ্রেসার জোন? আলিপুর আবহাওয়া দফতরের কর্তা গণেশকুমার দাস বলেন, “এটা আসলে বাতাসের চাপ। যেটা ক্রমাগত ওঠা-নামা করে স্থান অনুপাতে।”

গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গোপসাগরের উপর বাতাসের চাপ অর্থাৎ হাইপ্রেসার জোন বাড়তে থাকে। কিন্তু এই হাইপ্রেসার জোন বর্তমানে বঙ্গোপসাগরের উপর নেই। সেই কারণেই গরমের মুহূর্তে হাজির হয়েছে শুষ্ক হাওয়া।
গণেশকুমার দাস বলেন, “হাইপ্রেসার জোন কোনও স্থানেই স্থায়ী হয় না। এই মুহূর্তে সেটা রয়েছে ওডিশার উপর। আর এই না থাকার কারণেই বাতাসে আর্দ্রতা নেই। থাকছে শুষ্ক পরিবেশ।” এই পরিবেশ দু’ এক দিনের মধ্যেই পরিবর্তন হবে। কারণ ওডিশা থেকে হাই প্রেসার জোন চলে আসবে বঙ্গোপসাগরের দিকে। তখনই ফের পরিবর্তন হবে গরমের আবহে শুকনো পরিবেশের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।