বেজিং: খুচরো কয়েন জমিয়ে আস্ত একটা গাড়ির মালিক হলেন এক চিনা ব্যক্তি। খুচরো জমিয়ে প্রায় আস্ত এক পাহাড় বানিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। সেগুলি লেগেও গেল কাজে। কিনে ফেললেন চার চাকার আস্ত একটি গাড়ি। অবশ্য কেবল কয়েন দিয়েই যে গাড়ি মিলেছে, তা নয়। গাড়ির দাম পড়েছে তিন লাখ ৪০ হাজার ডলার। এর মধ্যে কয়েন ছিল এক লাখ ৩৬ হাজার ডলারের।

এই অভিনব ঘটনাটি ঘটিয়ে ফেলেছেন গ্যান নামের এক ব্যক্তি। তাঁর বাড়ি চিনে। বৃহস্পতিবার দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এই খবরে জানানো হয়েছে, গ্যান অস্ট্রেলিয়ার একটি গাড়ির কোম্পানির শোরুমে যান গাড়ি কিনতে। দরদাম ঠিক হওয়ার পর তিনি প্রস্তাব দেন, কাগজের নোটের সঙ্গে কয়েন দিয়ে দাম মেটাবেন। তাঁর প্রস্তাবে রাজি হলেন গাড়ি বিক্রেতারা।

এরপরেই গ্যান হাজির হন জমানো কয়েন-সহ। সে কয়েন আনা হয় ট্রাকে করে। যে পরিমাণ খুচরো এনেছলেন, তা ট্রাক থেকে নামাতে ১০ জন কর্মী চূড়ান্ত ধৈর্যের পরিচয় দেন। কয়েনগুলির ওজনও কম নয়, পুরো চার টন। স্তূপের উচ্চতা গিয়ে দাঁড়াল চার মিটার। coin-2-

একটি পেট্রল পাম্পে কাজ করেন গ্যান। সেখান যানবাহনে তেল দেওয়ার পর বকশিশ হিসেবে মাঝে-মধ্যে কিছু কয়েন পান তিনি। সেগুলোই এত দিন ধরে জমিয়েছেন। তিলে তিলে জমিয়ে তাল করা বোধহয় একেই বলে। তবে গ্যান-ই প্রথম ব্যক্তি নন, যিনি কয়েন জমিয়ে শিরোনামে এলেন। চিনা পত্রিকাটির খবরে দাবি করা হয়, এর আগে ফুজিয়ান নামের এক ব্যক্তি কয়েন জমিয়ে ফ্ল্যাট কেনেন। আর তা এ বছরেরই মার্চে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।